window.dataLayer = window.dataLayer || []; function gtag(){dataLayer.push(arguments);} gtag('js', new Date()); gtag('config', 'G-PPT9VPR9JV'); মেডিকেল-ডেন্টাল-ভার্সিটি-এডমিশন

Wednesday, 17 February 2021

প্রাণীবিজ্ঞানঃ সমন্বয় ও নিয়ন্ত্রণ-01

 তোমরা আমাকে বার বার বলতেছ ছন্দ দিয়ে সহজ নোট দিতে। আচ্ছা, আমি তো তোমাদের হেল্প করার জন্যই নোটগুলো দেই। এতো সহজ করতে বলো কেন? এতগুলো স্টুডেন্ট কে পিছে ফেলে একটা সিট নিতে তো একটু কষ্ট করা লাগবে। আমি ছন্দ দিবো মন্দ নয়, বই কিন্তু পর নয়। আমার ছন্দ যদি তোমাকে তোমার বই থেকে সরিয়ে নেয়- তাইলে ছুড়ে ফেলে দাও আমার ছন্দ। আমি তোমাদের স্বপ্ন দেখাতে পারি। কিন্তু বন্ধুর বেশে তোমাদের ক্ষতি করতে পারি না। আমার দেওয়া নোটগুলো পড়ার আগে যদি তুমি মেইন বই ১০ বার পড়তে পারো তবে আমার নোট পড়তে এসো। কারণ ছন্দ মানে পড়া নয়। তুমি বার বার পড়েও যেটা মনে রাখতে পারো না, সেটা ছন্দ দেখ। তাইলে আমি তোমাকে ওয়েলকাম করি। নয় তো না। এবার থেকে কোন বিষয় টা বার বার পড়েও মনে রাখতে পারো না সেটার ওপর নোট দিতে বলবে। সহজ করার ব্যাপার টা আমি আমার সাধ্য মতো চেষ্টা করব ইনশা~আল্লাহ্

সমন্বয় ও নিয়ন্ত্রণ

এ অধ্যায়ে বিভিন্ন সংখ্যা নিয়ে যা পাবো-

  1. সুষুম্নাকান্ডের দৈর্ঘ্য- ৪৫ সে.মি

  2. করোটিক স্নায়ু- ১২ জোড়া বা ২৪ টি (এটাতে সবাই ভুল করে। বেশী আবেগী হয়ো না,জোড়া বলে নাকি টি বলে খেয়াল করবে)

  3. সুষুম্না স্নায়ু -৩১ জোড়া বা ৬২ টি

  4. সেরিব্রাল অ্যাকউডাক্ট -১৫ মি.মি লম্বা*

  5. মস্তিষ্কের ওজনঃ পুরুষে ১৩৮০ গ্রাম/১.৩৬ কেজি, স্ত্রী লোকে ১২৫০ গ্রাম /গড়ে ১.৩৫ কেজি

  6. মস্তিষ্কের আয়তন ১৫০০ ঘন সেন্টিমিটার

  7. মস্তিষ্কে ১০০ বিলিয়ন বা এক হাজার কোটি নিউরন আর ১০০ বিলিয়ন নিউরোগ্লিয়া থাকে।

  8. সেরেব্রাম মস্তিষ্কের ওজনের ৮০%

  9. সুষুম্নাকাণ্ড ১৮ ইঞ্চি বা ৪৫ সে.মি লম্বা, ১.২৫ সে.মি প্রশস্থ, ৩১ টি খন্ড নিয়ে গঠিত

  10. রড কোষ ১২ কোটি থেকে ১২ কোটি ৫০ লক্ষ আর কোণ কোষের সংখ্যা ৬০-৭০ লক্ষ।

  11. মানব চক্ষুতে রেকটাস ৪ টি

  12. পেরিলিম্ফে শব্দ ২ গুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়

  13. অর্গান অব কর্টিতে সংবেদী রোম কোষের সংখ্যা ২৫০০০ 

  14. পিটুইটারি গ্রন্থির ওজন ০.৫২১ গ্রাম, থাইরয়েড গ্রন্থির(২টি) ওজন ২০-২৫ গ্রাম/১৫-২০ গ্রাম, প্যারাথাইরয়েড (৪টি) গ্রন্থির ওজন ১৪০ গ্রাম

  15. ৩০ বছর বয়সের পর হরমোনের ক্ষরণ কমে যায়।

  16. ভিট্রিয়াস হিউমারে ৯৯% পানি আর ১% কোলাজেন ও হায়াল্যুরোনিক এসিড

নিউরন(স্নায়ুতন্ত্রের গঠন আর কার্যিক একক):

নিউরন টা অ্যাপোলার, দুই জায়গায় সমাহার-

সেরেব্রাল হেমিস্ফিয়ারের বাইরে-

আর রেটিনার নিউক্লিয়ার স্তরে

যদি বলে ইউ (ইউনিপোলার)

mammal এর প্রান্তীয় স্নায়ুতন্ত্রে খোঁজিও!

আর যদি বাই (বাইপোলার) চায়-

বলে দাও- রেটিনা, ক্লকিয়া আর নাকে পাওয়া যায়।

কোথায় থাকে সিউডোইউনিপোলার-

দুই গ্যাংগ্লিয়ায় (স্পাইনাল গ্যাংগ্লিয়া আর করোটিক স্নায়ু গ্যাংগ্লিয়া) এদের সমাহার

আর মাল্টিপোলার থাকে মস্তিষ্ক আর সুষুম্নাকান্ডে।

মস্তিষ্কঃ মস্তষ্কের লোব কয় টা, অংশ কয় টা, কোন অংশের নাম কি, হেমিস্ফিয়ার দুটি কি দিয়ে সংযুক্ত*, মস্তিষ্ক আর সুষুম্না কান্ডের সাথে তুলনা করে পড়বে আবরণের স্তরগুলো, গ্রে ম্যাটার আর হোয়াইট ম্যাটার এর কি নিয়ে গঠিত এগুলো তোমরা এমনিতেও জানো, আবারও দেখে নিবে।

*সেরেব্রাল হেমিস্ফিয়ারে ৫ টি লোব (ফ্রন্টাল, প্যারাইটাল, টেম্পোরাল, অক্সিফিটাল আর লিম্বিক → ফ্রন্টে প্যারা, ট্রেনে অ্যাক্সেস লাগে)

*ইচ্ছাশক্তি আর ক্রিয়েটিভিটি দেখে অবাক হও কেন ভাই?

সেরেব্রাল এখন তার জবাব চায়।

(ক্রিয়েটিভিটি চিন্তা, বুদ্ধি, উদ্ভাবনী শক্তি/ ছন্দের মধ্যে ইচ্ছা শক্তির কথা দিলাম কারণ এটা একটু ব্যতিক্রম)

*তুমি তাকে এত বিরক্ত (যন্ত্রণা) করে, ধাক্কা (স্পর্শ) দিয়ে, তার আবেগের কেন্দ্রে প্রেসার (চাপ) করলে- তার হঠাৎ ঘুম ভেঙ্গে (হঠাৎ ঘুম ভাঙ্গলে পরিবেশ সম্পর্কে সজাগ) যাওয়া সত্ত্বেও সব কিছু নিয়ে সতর্ক , তার ব্যক্তিত্ব (ব্যক্তিত্বের প্রকাশ) ভালো, সামাজিক (সামাজিক আচরণের প্রকাশ)  তাই সে তোমাকে কিছু বললো না। দেখছ, থ্যালামাসের কতগুণ।

* অটো নার্ভের কেন্দ্র, দেহ তাপ নিয়ন্ত্রণ করো।

তাহলে রাগ-উদ্ভেগে ঘামবে তুমি কম-

জানাও তোমার যদি পায় ক্ষুধা-তৃষ্ণা-ঘুম

নিয়ন্ত্রণ করো- রক্তচাপ আর অন্তঃক্ষরাগ্রন্থির ক্ষরণ

ভালো লাগে তোমায় বন্ধু হাইপোথ্যালামাস-

ভেসোপ্রেসিন আর অক্সিটোসিন ক্ষরণ এসবও তোমার কাজ।

*এছাড়া হাইপোথ্যালামাস কে বায়োলজিক্যাল ক্লক বলে।

*মধ্য মস্তিষ্কের পর থেকে করোটিক স্নায়ুতন্ত্রের আগ পর্যন্ত নিজ দায়িত্বে পড়ে নিবে। করোটিক স্নায়ুর চার্ট থেকে শুরু করতেছি। 

মানুষের করোটিক স্নায়ু

করোটিক স্নায়ু মুখুস্ত রাখার জন্য কোনো ছন্দ পেলেও ব্যবহার করবে না। এটা অনুরোধ করছি তোমাদের। ১-১৩ পর্যন্ত স্নায়ুর নাম সিরিয়ালি দ্রুত পড়ে মুখুস্ত করবে। সংবেদী স্নায়ু, চেষ্টীয় স্নায়ু আর মিশ্র স্নায়ু এসবের চার্টের ওপর নোট দিচ্ছি। দেখবে অল্প পড়েও পুরো চার্ট টা মুখুস্ত করতে পারবে - ইনশা~আল্লাহ। 

করোটিক স্নায়ুর চার্টের সহজ নোটঃ

  • ১ ও ২ নং স্নায়ুর এর উৎস অগ্রমস্তিষ্ক

  • ৩ ও  ৪ নং স্নায়ু  এর উৎস মধ্যমস্তিষ্ক

  • বাকি সব মেডুলা অব ল্যাংগাটায়।

  • ৩৪৬ কাজ না করলে তুমি চার দিকে চোখ ঘুরাতে পারবে না৷ কারণ ৩, ৪ আর ৬ নং স্নায়ু অক্ষিগোলক সঞ্চালন করে।

  • কি শুরু করছ? ৯ বার জিহ্বা ঘুরালে ১১ বার মাথা ঘুরাচ্ছ কেন? আসলে

৯ নং স্নায়ু জিহ্বার সঞ্চালনের সাথে যুক্ত আর ১১ নং স্নায়ু মাথা ও কাঁধের সঞ্চালনের সাথে যুক্ত

  • ১ বার ঘ্রাণ নিলাম ২ বার দেখলাম। আসলে ১ নং স্নায়ু ঘ্রান উদ্দীপনা বহন করে আর ২ নং স্নায়ু দর্শন অনুভুতি বহন করে।

  • ভারসাম্য আর শ্রবণ, অডিটরির গুণ

  • সেন্সরী স্নায়ু ১২৮ অর্থাৎ ১, ২ আর ৮ নং

  • ১১, ১২ আর ৩৪৬ চেষ্টীয় বা মোটর স্নায়ু। আসলে৩, ৪,  ৬ আর  ১১, ১২ এগুলো মোটর স্নায়ু 

  • বাকি সব মিশ্র স্নায়ু। এগুলো মনে রাখার জন্য আরেক টা টেকনিক দিচ্ছি। 

  • স্নায়ুগুলোর নামের বানান দেখবে। যেটার বানানের শুরুতে "অ" থাকবে সেটা সংবেদী স্নায়ু (ব্যতিক্রম- কলোমোটর)। যেটার বানানের শেষে "ল" থাকবে সেটা মিশ্র স্নায়ু (ব্যতিক্রম- হাইপোগ্লোসা)। বাকিগুলো মোটর স্নায়ু (ব্যতিক্রম-ভেগাস স্নায়ু)

এতটুক পর্যন্ত সম্পূর্ণ চার্টের বর্ণনা। আবার অনুরোধ করছি- স্নায়ুগুলো মুখুস্ত করার টেকনিক নিও না আর সিরিয়ালি মুখুস্ত করবে। বইএ চার্টের পরে ওনারা ওনাদের মতো বর্ণনা দিলেন- গুরুত্ব দিয়ে দেখবে। মেডিকেলে সেখান থেকে প্রশ্ন বেশী আসে, প্রশ্ন ব্যাংক দেখলে বুঝতে পারবে। 

চোখঃ চোখ নিয়ে মনে রাখার সহজ উপায় হলো অংশগুলোর নামের সাথে মিলিয়ে পড়া। তাহলে সহজে মুখুস্ত হবে। চোখে রেকটাস আর অবলিক এসব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। তারপরও নোট লাগলে জানাইও। 

  • কোরয়েডের অংশঃ CHIPS (CH-সিলিয়ারি বডি, I- আইরিশ, P- পিউপিল, S- সাসপেন্সরি লিগামেন্ট)

  • চোখে তিন ধরনের গ্রন্থি থাকে৷ মনে রাখব - হামলা (হা- হার্ডেরিয়ান গ্রন্থি, ম- মেভোবিয়ান গ্রন্থি আর লা - ল্যাক্রিমাল গ্রন্থি)

প্রাণী বিজ্ঞানঃ সমন্বয় ও নিয়ন্ত্রণ-০২ পেতে ক্লিক করো এখানে

Tuesday, 16 February 2021

জৈব রসায়নঃ 2.10.1-2.11.4 সংক্ষেপে এমনি শিখি (এসো মজা নিয়ে শিখি)।

অ্যালিফেটিক ও অ্যারোমেটিক যৌগের বিভিন্ন বিক্রিয়াঃ

এখান থেকে সবচেয়ে বেশী পেরা দিবে কোনটি অর্থো নির্দেশক, কোন মেটা নির্দেশক আর কোন টি পেরা নির্ধারক (প্যারা নির্দেশক)🤣। হয় ভার্সিটিতে না হয় মেডিকেল, এই জিনিসগুলো বাদ যায় না।

অর্থো-প্যারা নির্দেশকঃ(ধনাত্মক আবেশীয় ফল)

অ্যালকাইল মূলক: —R (—CH3)

অ্যামিনো মূলক: —NH2

অ্যালকাইল প্রতিস্থাপিত অ্যামিনো মূলক: —NHR, NR2

অ্যালকক্সিমূলক: —OR, —OCH3

হাইড্রক্সিল মূলক: —OH

হ্যালোজেন মূলক: —X (—F, —Cl, —Br, —I)

একটা বিষয় সাবধান⚠ , সকল অর্থো-প্যারা নির্দেশক মূলক সক্রিয়কারী গ্রুপ কিন্তু হ্যালোজেন এর বিপরীত অর্থাৎ এটি বলয় নিস্ক্রিয়কারী গ্রুপ, এই ভেজাল মার্কা টা কে কখনো ভুলা যাবে না। না না না, ভুলা যাবে না।

  • বলয় সক্রিয়কারী শক্তিশালী মূলকঃ —NH2, —NHR, —NR2, —OH

  • সাধারণ: —OCH3, —OC2H5, —NHCOCH3

  • তুলনামূলক দূর্বলঃ —CH3,— C2H5, —R

অর্থো-প্যারা নির্দেশক গ্রুপগুলোর বেনজিন বলয় সক্রিয়তা হ্রাসের ক্রমঃ 

—O->—NH2> —OH>—OCH3>—NHCOCH>—R>—OCOR> —Ar> —X

মেটা নির্দেশকঃ (ঋণাত্মক আবেশীয় ফল)  (MAT, JnU,BUET, CUET)

কিটো মূলক: >CO

অ্যালডিহাইড মূলক: —CHO

অ্যানিলিনিয়াম মূলক: —+NH3

অ্যামাইডো মূলক: —CONH2

কার্বোক্সিলিক মূলক: —COOH

সায়ানো মূলক: —CN

সালফোনিক এসিড মূলক: SO3H

নাইট্রো মূলক: —NO2

*মেটা গ্রুপ বেনজিন বলয় নিস্ক্রিয় করে। 

  • শক্তিশালী বেনজিন বলয় নিস্ক্রিয়কারী মূলক: —NO2, —+NR3, —CF3, —CCl3

  • সাধারণ: —COOH, —COOR, —SO3H, —CHO, —COR

  • তুলনামূলক দূর্বল: —F, —Cl, —Br, —I (  ortho-pera)

মেটা নির্দেশক গ্রুপগুলোর বেনজিন বলয়ের সক্রিয়তা হ্রাসের ক্রম: 

+NH3> —NO2> —CN> —SO3H> =CO> —COCH3> —COOH


এতগুলো মনে রাখবে কেম্নে? একদম সহজ, যাদের একক বন্ধন আছে তারা অর্থো-প্যারা আর যাদের দ্বিবন্ধন-ত্রিবন্ধন আছে তারা মেটা নির্দেশক।

ইলেকট্রোফাইল ২ প্রকার। ধনাত্ম ইলেকট্রোফাইল আর প্রশম ইলেকট্রোফাইল। 

ধনাত্মক ইলেকট্রোফাইলঃ NH4+, H3O+, PH4+, CH3+, SO3H+, X+, R3C+, RNN+, H+,NO2+

প্রশম ইলেকট্রোফাইলঃ AlCl3, BF3, SO3, FeCl3

ইলেকট্রোফাইল ধনাত্মক চার্জ থাকবে৷ যেহেতু তার ধনাত্মক চার্জ তাই সে ঋণাত্মক চার্জকে আকর্ষণ করবে আর বন্ধন গঠন করতে চাইবে। এই যে ঋণাত্মক চার্জ কে সে খুঁজে নেয়- তাই তাকে ইলেকট্রোফাইল বলা।

নিউক্লিওফাইল ২ প্রকার। ঋণাত্মক নিউক্লিওফাইল আর প্রশম নিউক্লিওফাইল। 

ঋণাত্মক নিউক্লিওফাইলঃ X-, OH-, CH3-, R-, COO-, CN-, OR-

প্রশম নিউক্লিওফাইলঃ NH3, H2O, R-NH2, R-OH, NH2, PH3 

নিউক্লিওফাইল থাকবে ঋণাত্মক চার্জযুক্ত। কারণ সে ধনাত্মক চার্জযুক্ত কারো সাথে বন্ধু হবে। একই চার্জ হলে তো বন্ধু হওয়া যায় না। তাই নিউক্লিওফাইল খোঁজবে কার  ইলেকট্রন কম (ধনাত্মক চার্জ বেশী) আছে। 

এখন যে টা লিখছি- ওটা কষ্ট করে মুখুস্ত করার দরকার নাই। বুঝে নিলে পরীক্ষায় উত্তর করতে পারবে। 

অ্যালকাইল ফ্রী রেডিক্যালের স্থায়িত্ব আর সক্রিয়তার ক্রম। দেখলাম এখান থেকে ভার্সিটি মেডিকেল সবখানে প্রশ্ন আসে। প্রথমত মনে রাখবে - স্থায়িত্ব, সক্রিয়তার পুরোপুরি বিপরীত। যার সক্রিয়তা যত বেশী তার স্থায়ীত্ব তত কম। কার্বোনিয়াম আয়ন আর অ্যালকাইল ফ্রী রেডিক্যালের   স্থায়িত্বের নিচের সিরিজ টা দেখ-

.CR3>.CHR2>.CH2R>.CH3[স্থায়িত্ব, সক্রিয়তার পুরোপুরি বিপরীত।]

ফ্রী রেডিক্যাল আর কার্বোনিয়াম আয়নের স্থায়িত্বের ক্রম একই। কিন্তু কেন? আমি আমার মতো ব্যাখ্যা দিচ্ছি যাতে সহজে বুঝে মনে রাখতে পারো।  কার্বোনিয়াম আয়ন হচ্ছে ধনাত্মক তার মানে তার ইলেকট্রন কম আছে। এখন ৩° কার্বোনিয়াম আয়নে ৩ টা অ্যালকাইল মূলক মিলে বেষ্টনীর মতো। ফলে এই ৩° কার্বোনিয়াম আয়ন টা হুট করে গিয়ে কারবো সাথে বন্ধন গঠনের যথেষ্ট জায়গা পাই না। মানে কি বলব? অন্য ঋণাত্মক আয়ন যখন এসে বন্ধন গঠন করতে চাই তখন ৩ টা যে অ্যালকাইল মূলক আছে তারা বাঁধা দেয়। আর যে ঋণাত্মক অণু বা মূলক টা বাইরে থেকে এসে ৩° কার্বোনিয়াম আয়নের সাথে  বন্ধন গঠন করতে চাই সে ৩° কার্বোনিয়াম আয়নের কেন্দ্র পর্যন্ত পৌঁছতে পারে না৷ মিথাইল মূলকে এধরনের কোনো বাঁধা নাই। তাই এটি খুবই সক্রিয়। 

তাই এটার স্থায়িত্ব একদম কম। অনুরূপ ভাবে পুরো ক্রম টা বুঝে নাও তাইলে মুখুস্ত করতে প্রেসার নিতে হবে না। এমনিতেই উত্তর পারবে।

আর এর পুরো বিপরীত হচ্ছে কার্বানায়নের ক্ষেত্রে। 

আলফা কার্বন কি?

উপরে যা লিখলাম সেগুলো থেকে বিভিন্ন নাম করা প্রতিষ্ঠানে প্রশ্ন আসছে। ইনশা~আল্লাহ আবার পাবে। 

মারকনিকভ নিয়মঃ মারকনিকভের নিয়ম থেকে আমরা এটা জানি যে,  এ নিয়ম শুধু অ্যালকিনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য তাও আবার অপ্রতিসম অ্যালকিন হতে হবে। অপ্রতিসম মানে কি রকম? অ্যালকিনের দ্বিবন্ধনের উভয় পাশে কার্বন সংখ্যা সমান হবে না। যেমনঃ CH3CH=CHCH3 দ্বিবন্ধনের উভয় পাশে কার্বন সংখ্যা সমান, প্রতিসম অ্যালকিন। CH3CH2CH=CH2 দ্বিবন্ধনের উভয় পাশে কার্বন সংখ্যা সমান নয়- অপ্রতিসম অ্যালকিন। অপ্রতিসম বিকারকঃ HCl, HBr, HOCl, H2SO4

অপ্রতিসম অ্যালকিনের সাথে অপ্রতিসম বিকারকের বিক্রিয়ায় বিকারকের H বা ধনাত্মক প্রান্ত টি অ্যালকিনের দ্বিবন্ধনের যে পাশের কার্বনে H বেশী সেখানে যুক্ত হবে। 2CH3CH2CH=CH2+2HBr→CH3CH2CHBrCH3(80%-90%)+...

এই নিয়মের বিপরীত হলে তাকে বিপরীত মারকনিকভ নিয়ম বলব। 

কোনো কথায় যদি আমাদের সাথে না মিলে, আমরা ইনস্ট্যান্ট বকা দেই একটা কথা বলে সেটা হলো খাটাস। এটা তো মারকনিকভের নিয়মের সাথে মিলে না, কাকতালীয়ভাবে এই বিপরীত নিয়ম টা দিছে বিজ্ঞানী খারাস। এছাড়াও আমরা এটাকে পার অক্সাইড নিয়মও বলতে পারব। কারণ বিপরীত ফলাফল পাওয়ার জন্য অল্প পরিমাণ জৈব পারঅক্সাইডের উপস্থিতিতে বিক্রিয়া করাতে হয়। 

শীঘ্রই বাকি অংশের আপডেট আসবে।

Saturday, 13 February 2021

জৈব রসায়নঃ 2.6-2.10.0 সংক্ষেপে এমনি শিখি (এসো মজা নিয়ে শিখি)।

আমি এখানে যা বলব, একজন ভর্তিপরীক্ষার্থীর যে রকম পড়া দরকার ওরকমই লিখা থাকবে। তাই বিস্তারিত ব্যাখ্যা টা জানতে হলে পরে জানাবো। তবে- এখানে থাকছে শর্টনোট, যা একজন ভর্তি পরীক্ষার্থী সহজেই বুঝে যাবে।

সমাণুতা

সমাণুতা হচ্ছে আণবিক ভাবে একটা জিনিস থেকে অনেক রকম গঠন। [যেমনঃ মাটি থেকে চুলা, বাসন-কোসন, ডেকসি, পুতুল অনেক কিছু তৈরি হয়। ] গঠন পরিবর্তন হওয়াই রাসায়নিক ধর্ম পরিবর্তন হবে। সমাণুতার শ্রেণিবিভাগ বই থেকে দেখে নিবে। 

  • চেইন সমাণু- কার্বন শিখলের ভিন্নতা দেখবে মাত্র। 

CH3-CH2-CH22-CH3 এবং CH3-C(CH3)H-CH3 এর পরস্পর শিকল সমাণু।

  • অবস্থান সমাণুঃ শিখলে কার্যকরী মূলক/ দ্বিবন্ধন/ত্রিবন্ধনের অবস্থান পরিবর্তন হবে।

CH3-CH2-CH2-CH2-OH এবং CH3-CH2(OH)-CH3 

  • কার্যকরী মূলক সমাণুঃ কার্যকরী মূলক পরিবর্তন হবে।

CH3-CH2-CHO এবং CH2=CH-CH2OH

  • মেটামারিজমঃ একই শ্রেণির মধ্যে কেবল মাত্র মূলকের অবস্থানের ডান/বাম পাশে শিখলের কার্বন সংখ্যা পরিবর্তন হবে মাত্র। উল্লেখ্য মেটামারিজম দিবে- ইথার, কিটোন, অ্যাসিটোন, 2° অ্যামিন, অ্যাসিড অ্যানহাইড্রাইড

 [ইতি (ইথার) কি (কিটোন)  আসিতো (অ্যাসিটোন),

2° অ্যামিন আর অ্যাসিড অ্যানহাইড্রাইড আনিত-

 তবে তো তারা  মিটমাট (মেটামার) হইতো।

  • টটোমারিজমঃ স্বতঃস্ফূর্তভাবে কার্যকরীমূলক পরিবর্তন হয়ে যাবে, তাহলে টু টু করে - টটোমার হবে।

CH3-CO-CH3 ⇄ CH3-C(OH)=CH2

তিন টা জিনিস দেখে টটোমার চিনবে- ১. কার্বন কমপক্ষে ৪ টা

২. কার্যকরীমূলকের সাপেক্ষে α-কার্বন

৩. অবশ্যই একটি তড়িৎঋণাত্মক পরমাণু দ্বিবন্ধন বা ত্রিবন্ধন দ্বারা যুক্ত  থাকবে। (>C=O, -N=O, >C=NH etc.)

  • স্টেরিও সমাণু মানেই ত্রিমাত্রিক। স্টেরিও বা ত্রিমাত্রিক সমাণু দুই রকম। ১. জ্যামিতিক/সিস-ট্রান্স সমাণুতা ২. আলোক সমাণুতা। 

    • সিস-ট্রান্স সমাণুতার শর্তঃ ১। abC=Cab ; a≠b

(CH3)ClC=C(CH3)Cl এখানে CH3≠Cl

২.abC=Cad ;a≠b≠d

(CH3)ClC=C(CH3)(C2H5) এখানে CH3≠Cl≠C2H5 

৩. abC=Cde ; a≠b≠d≠e 

CH3BrC=C(C2H5)H এখানে CH3≠Br≠H≠C2H5 

[পরীক্ষায় আসলে ৩ সেকেন্ডের ভিতর দেখবে - দ্বিবন্ধন কার আছে, আর দ্বিবন্ধনের একই পাশে একই মূলক যার নাই সেই সিস-ট্রান্স সমাণুতা দিবে।- কথা টা সত্য কি না উপরের উদাহরণ আর বইএর উদাহরণে মিলিয়ে দেখ।

সিস-ট্রান্স সমাণুর ধর্ম নিয়ে মাথা-ব্যথার দরকার নাই, তবে কয়েকটি গলনাঙ্ক আছে৷ একটা সিট নিশ্চিত করতে ধর্মগুলো দেখে নেওয়া ভাল।]

  • আলোক সমাণুতাঃ চট করে আলোক সমাণুতা নির্ণয় করার জন্য দেখবে  কাইরাল কার্বন কার আছে অর্থাৎ কোন কার্বন পরমাণুর পাশের চার টা মূলক ভিন্ন। 

[আপেক্ষিক আবর্তনগুলো দেখে নিবে একটু বই থেকে। যেগুলো less important আর বই এ আছে সেগুলো এখানে suggest করতেছি। লিখতেছি না।]

  • এনানশিওমারঃ কোনো একটি আলোক সক্রিয় যৌগের যদি দুটি আলোক সমানু (ডান ঘূর্ণী আর বাম ঘূর্ণী) থাকে, তাদেরকে পরস্পরের এনানশিওমার বলবে। আর এন্টি(anti) মানে  বিপরীত। আর এরা যেহেতু একটি অপরটির বিপরীত, তাদের এন্টিমারও বলতে পারবে। তারা যেহেতু পরস্পরের প্রেমে পটে না তাই তোমার ইচ্ছে হলে এদের এন্টিপট ও  (antipodes-অ্যান্টিপডস বা বিপরীত পৃষ্ঠের বাসিন্দা) বলতে পারবে🤣।

[ইচ্ছে হলে এনানশিওমারের ধর্ম দেখে নিবে।]

  • রেসিমিক মিশ্রণঃ আগেই বলছি- এনানশিওমার হচ্ছে এন্টিপডস। যাদের কেলাইলেও পটবে না। তাদের যদি পরস্পর মিশাও- নিস্ক্রিয় হয়ে বসে থাকে। আর মেশালে তো নিস্ক্রিয় হয়ে যায়- তাই তাদের বলব রেগেছে (রেসিমিক মিশ্রণ) [এনানশিওমারের সমমোলার মিশ্রণকে রেসিমিক মিশ্রণ বলে]

রেসিমিক মিশ্রণের উদাহরণ মোটামুটি পরীক্ষায় আসে। তাও ওই যে শুধু ল্যাকটিক এসিড।

মেসো যৌগ দেখে নিবে। 

  • কোনো একটি কার্বন যৌগে যদি n সংখ্যক কাইরাল কার্বন থাকে  তবে-

 পরীক্ষা দিতে যাবে নিচের গান টা কয়েক বার গেয়ে, 

পরীক্ষায় যদি আসে খুশি হবে answer দিয়ে।


ভিন্ন হলে কাইরাল কার্বন,

পাওয়ার (power) হিসেবে n নিয়ে চল।

n সংখ্যক যদি একই পায়,

 পাওয়ার (power) থেকে 1 বাদ যায়।

সম্ভাব্য মেসো? জানো নি কিছু-

পাওয়ার থেকে 2 বাদ যাক-

তারপর পাওয়ারকে 2 দিয়ে ভাগ।

পাওয়ার (power) টা কার, এই "2" সংখ্যাটার।

 পুরো ছন্দ টার মানে কি দেখ- 

  • যদি n সংখ্যক ভিন্ন অপ্রতিসম কার্বন বা কাইরাল কার্বন থাকে তবে আলোক সমানুতার সংখ্যা 2

  • যদি n সংখ্যক একই অপ্রতিসম কার্বন বা কাইরাল কার্বন থাকে তবে - আলোক সমানুতার সংখ্যা 2(n-1)

  • এখন n সংখ্যক যদি একই কাইরাল কার্বন থাকে তবে নিশ্চই মেসো যৌগ থাকবে। তো সম্ভাব্য মেসো যৌগ সমাণু সংখ্যা 2(n-2)/2

[স্বীকার কর বা না কর, এটা এখনো তুমি ঠিক মতো বুঝ নি। তবে আনন্দের কথা কি জানো? এই ছন্দের দ্বারা যা তথ্য দিছি সেগুলো ভর্তি পরীক্ষায় আসে না। ভবিষ্যতে আসার সম্ভাবনা প্রবল। তাই দিয়ে দিলাম। তবে বইএর উদাহরণগুলো একটু দেখে নিবে।]

  • অ্যালকেনে কার্বন সংখ্যা n=1,2,3...7 হলে, সমাণু সংখ্যা = 2n-4+1 (ঢা.বি-০২-০৩) [কার্বন সংখ্যা 8 এর বেশী দিলে এই সূত্র প্রযোজ্য হবে না আর 8 এর বেশী কার্বন দিয়ে পরীক্ষায় আসেও না।]

    • অ্যালকিনের ক্ষেত্রে কার্বন সংখ্যা 3,4,5 হলে সমাণু সংখ্যা যথাক্রমে 2,3,6 (১ম দুই টাতে ১ করে বিয়োগ, শেষের টা তে ১ যোগ)

    • অ্যালকাইনে কার্বন সংখ্যা 4,5 হলে সমাণু সংখ্যা যথাক্রমে 2,3 (কার্বন সংখ্যা থেকে ২ বিয়োগ)

    • অ্যালকোহল ও ইথারে কার্বন সংখ্যা 2, 3,4 হলে সমাণু সংখ্যা যথাক্রমে 2,3, 7 (7 টি সমাণু হবে 3 টি অ্যালকোহল আর 4 টি ইথার সমাণু মিলে)

    • বেনজিনের সমাণু নির্ণয় করা টা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বেনজিনের সাথে যদি একটি পার্শ্বগ্রুপ থাকে তবে সমানুপাবে না। দুইটি পার্শ্বশিকল থাকলে সমাণু হবে 3 টি। তিন টি পার্শ্ব শিকল/গ্রুপ থাকলে সমানু হবে - 3,6,10 টি। 3 টি হবে যদি পার্শ্বশিকল 3 টি একই হয়, 6 টি হবে যদি 2 টি পার্শ্বশিকল একই আর একটি ভিন্ন হয়। 10 টি হবে যদি তিনটি পার্শ্বশিকলই ভিন্ন হয়।

  • অ্যারোমেটিক যৌগে হাকেল তত্ব মেনে (4n+2) সংখ্যক পাই ইলেকট্রন থাকবে।*

  • আলকাতরার পাতনে কোন অংশে কোন ধরনের উপাদান পাও মনে রাখবে। আর কয়েক টা সংকেত ওগুলো সহ দেখবে।

বেনজিন ও টলুইন প্রস্তুতি

  • বেনজিনঃবেনজিন যদি পেতে চাও-

    1. সোডিয়াম বেনজোয়েটকে সোডালাইম এর সাথে মিশিয়ে তাপ দাও

    2. ফেনল কে Zn সহ বাষ্প পাতন চালাও

    3. অ্যাসিটিলিনকে ৪৫০° সে. তাপমাত্রার লোহার নলে ঢোকাও

    4. গ্রিগনার্ড বিকারককে আর্দ্রবিশ্লেষণ করাও

    5. বেনজিন ডায়াজোনিয়াম লবণকে কিউপ্রাস আয়নের উপস্থিতিতে ফসফিনিক এসিড দিয়ে বিজারণ করাও

    6. টলুনের সাথে Pt গুড়া মিশিয়ে Al2O3কে স্বাক্ষী রেখে ৬০০°সে তাপে H2 সংযোজন করাও।

    এই ছয়টা বড় করে নাম্বার সহ পড়, 

    পরীক্ষায় পারবে না- এই টেনশন ছাড়ো। 

    [বিক্রিয়া সব বই থেকে দেখে নাও আর এই ৬ টা কথাও মিলিয়ে নাও।] বেনজিন যাদের সাথে বিক্রিয়া করে না- 

    ১.benzene+Br2+CCl4→no reaction 

    ২. Benzene+KMnO4+KOH→no reaction 

    ৩. Benzene+ HBr→ no reaction 

    ৪. Benzene + H2O+H+→ no reaction 

    টলুইনঃ টলুইনের উৎপাদনের জন্য- 

    1. প্রথমে দেখবে উর্টজ ফিটিগ বিক্রিয়ার সেশন।

    [ C6H5Cl+ শুস্ক ইথার 2Na+CH3Cl→C7H8(টলুইন)+2NaCl]

    *টলুইন উৎপাদনে-শুষ্ক ইথার ব্যবহার করছে কেন? তোমাদের কাছে একটা প্রশ্ন রেখে গেলাম। আমি জানি, অনেকে পারবা। আবার এটা বলো না, ভাইয়া আপনি সব বলে গেলেন- যেটা পারেন না সেটা আমাদের দিয়ে গেলেন, তাই না🤣?

    1. তার পর ফ্রিডেল ক্রাফট অ্যালকাইলেশন।

    [C6H6+CH3Cl+শুষ্ক AlCl3→C7H8(টলুইন)+HCl 

    • এর বৈশিষ্ট্যঃ ১. এটি একটি বর্ণহীন পদার্থ যার গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক যথাক্রমে: -198°C এবং 111°C

      ২. এটি পানি অপেক্ষা হালকা। আপেক্ষিক গুরুত্ব ০.৮৬৬

      ৩. পানিতে অদ্রবণীয় কিন্তু অ্যালকোহল আর ইথারে দ্রবণীয়। 

      (টলুইনের ব্যবহার বই থেকে দেখে নিবে।)  *বেনজিনের ইলোকট্রোফিলিক প্রতিস্থাপন কারা চায়?

    অ্যালকাই- অ্যাসাই সালফোর নেশায় 

    হ্যালো হ্যালো করে  হায়!

    [অ্যালকাই (অ্যালকাইলেশন) অ্যাসাই (অ্যাসাইলেশন) সালফোর (সালফোনেশন) নেশায় (নাইট্রেশন)

    হ্যালো হ্যালো করে (হ্যালোজেনেশন) হায়!]

    *নাইট্রেশন আর সালফোনেশন এর প্রভাবক দেখবে।

    *মেইন বই এ দেওয়া কতগুলো চাক্রিক যৌগ আছে, ওগুলোর পাই ইলেকট্রন কয় টা দেখবে। সহজ ব্যাপার- হেটারো অ্যারোমেটিক যৌগ যেগুলো মনে রাখার ছন্দ দিছি ওগুলো সবগুলোতে ৬ টা পাই ইলেকট্রন। বেনজিন (৬), ন্যাপথালিন(১০), অ্যানথ্রাসিন (১৪) এরা হোমো অ্যারোমেটিক, মনে রাখবে। আর স্পেসিফিক ৪/৫ টা হেটারো আয়ন আছে ওসবের পাই ইলেকট্রন দেখে নিবা। একটা সিট অর্জনের জন্য কোনো অবহেলা নয়।

    হাকেল তত্ব অনুসারে অ্যারোমেটিক যৌগে (π) পাই ইলেকট্রন  4n+2 সংখ্যক। সেই অনুসারে - 2, 6, 10, 14, 18… এগুলো হাকেল সংখ্যা। এখন দ্বিবন্ধন দেখে - অ্যারোমেটিক যৌগ নির্ণয় করবে- 

    n= (x-1)/2 এখানে, x হচ্ছে (π)পাই বন্ধন বা দ্বিবন্ধন সংখ্যা। আর n হচ্ছে স্বাভাবিক সংখ্যা। n পূর্ণ সংখ্যা হলে যৌগ টি অ্যারোমেটিক যৌগ। 

    যেমনঃ অ্যানথ্রাসিনের দ্বিবন্ধন সংখ্যা x=7 টি। সুতরাং n=(7-1)/2=3 যেহেতু, n=3, পূর্ণ সংখ্যা তাই এটি অ্যারোমেটিক যৌগ। আরেকটি দেখি- সাইক্লোপেন্টেনে দ্বিবন্ধন সংখ্যা x=4।  সুতরাং n= (4-1)/2 =3/2 ; যা পূর্ণ সংখ্যা নয়৷ তাই এটি অ্যারোমেটিক যৌগ নয়। 

    আরেক টা বিষয় জানিয়ে রাখি- সেটা হচ্ছে, লোন পেয়ার/নিঃসঙ্গ জোড় ইলেকট্রন রেজোন্যান্সে অংশ নেয়।


এছাড়াও অন্যান্য বিষয়গুলো দেখতে ক্লিক করো

এখানে 👉 জৈব রসায়নঃ 2.0-2.6 সংক্ষেপে এমনি শিখি (এসো মজা নিয়ে শিখি)

👉 জৈব রসায়নঃ 2.10.1-2.11.4 সংক্ষেপে এমনি শিখি (এসো মজা নিয়ে শিখি)।

 👉 পদার্থবিজ্ঞানঃ এক নিঃশ্বাসে শব্দের তীব্রতা লেভেল এর চার্ট

গণিতের সকল সূত্রঃ

▶️বীজগাণিতিক সূত্রাবলী 1.📷 (a+b)²= a²+2ab+b² 2.📷 (a+b)²= (a-b)²+4ab 3.📷 (a-b)²= a²-2ab+b² 4.📷 (a-b)²= (a+b)²-4ab 5.📷 a² + b²= (a+b)²-2a...