অ্যালিফেটিক ও অ্যারোমেটিক যৌগের বিভিন্ন বিক্রিয়াঃ
এখান থেকে সবচেয়ে বেশী পেরা দিবে কোনটি অর্থো নির্দেশক, কোন মেটা নির্দেশক আর কোন টি পেরা নির্ধারক (প্যারা নির্দেশক)🤣। হয় ভার্সিটিতে না হয় মেডিকেল, এই জিনিসগুলো বাদ যায় না।
অর্থো-প্যারা নির্দেশকঃ(ধনাত্মক আবেশীয় ফল)
অ্যালকাইল মূলক: —R (—CH3)
অ্যামিনো মূলক: —NH2
অ্যালকাইল প্রতিস্থাপিত অ্যামিনো মূলক: —NHR, NR2
অ্যালকক্সিমূলক: —OR, —OCH3
হাইড্রক্সিল মূলক: —OH
হ্যালোজেন মূলক: —X (—F, —Cl, —Br, —I)
একটা বিষয় সাবধান⚠ , সকল অর্থো-প্যারা নির্দেশক মূলক সক্রিয়কারী গ্রুপ কিন্তু হ্যালোজেন এর বিপরীত অর্থাৎ এটি বলয় নিস্ক্রিয়কারী গ্রুপ, এই ভেজাল মার্কা টা কে কখনো ভুলা যাবে না। না না না, ভুলা যাবে না।
বলয় সক্রিয়কারী শক্তিশালী মূলকঃ —NH2, —NHR, —NR2, —OH
সাধারণ: —OCH3, —OC2H5, —NHCOCH3
তুলনামূলক দূর্বলঃ —CH3,— C2H5, —R
অর্থো-প্যারা নির্দেশক গ্রুপগুলোর বেনজিন বলয় সক্রিয়তা হ্রাসের ক্রমঃ
—O->—NH2> —OH>—OCH3>—NHCOCH>—R>—OCOR> —Ar> —X
মেটা নির্দেশকঃ (ঋণাত্মক আবেশীয় ফল) (MAT, JnU,BUET, CUET)
কিটো মূলক: >CO
অ্যালডিহাইড মূলক: —CHO
অ্যানিলিনিয়াম মূলক: —+NH3
অ্যামাইডো মূলক: —CONH2
কার্বোক্সিলিক মূলক: —COOH
সায়ানো মূলক: —CN
সালফোনিক এসিড মূলক: SO3H
নাইট্রো মূলক: —NO2
*মেটা গ্রুপ বেনজিন বলয় নিস্ক্রিয় করে।
শক্তিশালী বেনজিন বলয় নিস্ক্রিয়কারী মূলক: —NO2, —+NR3, —CF3, —CCl3
সাধারণ: —COOH, —COOR, —SO3H, —CHO, —COR
তুলনামূলক দূর্বল: —F, —Cl, —Br, —I ( ortho-pera)
মেটা নির্দেশক গ্রুপগুলোর বেনজিন বলয়ের সক্রিয়তা হ্রাসের ক্রম:
—+NH3> —NO2> —CN> —SO3H> =CO> —COCH3> —COOH
এতগুলো মনে রাখবে কেম্নে? একদম সহজ, যাদের একক বন্ধন আছে তারা অর্থো-প্যারা আর যাদের দ্বিবন্ধন-ত্রিবন্ধন আছে তারা মেটা নির্দেশক।
ইলেকট্রোফাইল ২ প্রকার। ধনাত্ম ইলেকট্রোফাইল আর প্রশম ইলেকট্রোফাইল।
ধনাত্মক ইলেকট্রোফাইলঃ NH4+, H3O+, PH4+, CH3+, SO3H+, X+, R3C+, RNN+, H+,NO2+
প্রশম ইলেকট্রোফাইলঃ AlCl3, BF3, SO3, FeCl3
ইলেকট্রোফাইল ধনাত্মক চার্জ থাকবে৷ যেহেতু তার ধনাত্মক চার্জ তাই সে ঋণাত্মক চার্জকে আকর্ষণ করবে আর বন্ধন গঠন করতে চাইবে। এই যে ঋণাত্মক চার্জ কে সে খুঁজে নেয়- তাই তাকে ইলেকট্রোফাইল বলা।
নিউক্লিওফাইল ২ প্রকার। ঋণাত্মক নিউক্লিওফাইল আর প্রশম নিউক্লিওফাইল।
ঋণাত্মক নিউক্লিওফাইলঃ X-, OH-, CH3-, R-, COO-, CN-, OR-
প্রশম নিউক্লিওফাইলঃ NH3, H2O, R-NH2, R-OH, NH2, PH3
নিউক্লিওফাইল থাকবে ঋণাত্মক চার্জযুক্ত। কারণ সে ধনাত্মক চার্জযুক্ত কারো সাথে বন্ধু হবে। একই চার্জ হলে তো বন্ধু হওয়া যায় না। তাই নিউক্লিওফাইল খোঁজবে কার ইলেকট্রন কম (ধনাত্মক চার্জ বেশী) আছে।
এখন যে টা লিখছি- ওটা কষ্ট করে মুখুস্ত করার দরকার নাই। বুঝে নিলে পরীক্ষায় উত্তর করতে পারবে।
অ্যালকাইল ফ্রী রেডিক্যালের স্থায়িত্ব আর সক্রিয়তার ক্রম। দেখলাম এখান থেকে ভার্সিটি মেডিকেল সবখানে প্রশ্ন আসে। প্রথমত মনে রাখবে - স্থায়িত্ব, সক্রিয়তার পুরোপুরি বিপরীত। যার সক্রিয়তা যত বেশী তার স্থায়ীত্ব তত কম। কার্বোনিয়াম আয়ন আর অ্যালকাইল ফ্রী রেডিক্যালের স্থায়িত্বের নিচের সিরিজ টা দেখ-
.CR3>.CHR2>.CH2R>.CH3[স্থায়িত্ব, সক্রিয়তার পুরোপুরি বিপরীত।]
ফ্রী রেডিক্যাল আর কার্বোনিয়াম আয়নের স্থায়িত্বের ক্রম একই। কিন্তু কেন? আমি আমার মতো ব্যাখ্যা দিচ্ছি যাতে সহজে বুঝে মনে রাখতে পারো। কার্বোনিয়াম আয়ন হচ্ছে ধনাত্মক তার মানে তার ইলেকট্রন কম আছে। এখন ৩° কার্বোনিয়াম আয়নে ৩ টা অ্যালকাইল মূলক মিলে বেষ্টনীর মতো। ফলে এই ৩° কার্বোনিয়াম আয়ন টা হুট করে গিয়ে কারবো সাথে বন্ধন গঠনের যথেষ্ট জায়গা পাই না। মানে কি বলব? অন্য ঋণাত্মক আয়ন যখন এসে বন্ধন গঠন করতে চাই তখন ৩ টা যে অ্যালকাইল মূলক আছে তারা বাঁধা দেয়। আর যে ঋণাত্মক অণু বা মূলক টা বাইরে থেকে এসে ৩° কার্বোনিয়াম আয়নের সাথে বন্ধন গঠন করতে চাই সে ৩° কার্বোনিয়াম আয়নের কেন্দ্র পর্যন্ত পৌঁছতে পারে না৷ মিথাইল মূলকে এধরনের কোনো বাঁধা নাই। তাই এটি খুবই সক্রিয়।
তাই এটার স্থায়িত্ব একদম কম। অনুরূপ ভাবে পুরো ক্রম টা বুঝে নাও তাইলে মুখুস্ত করতে প্রেসার নিতে হবে না। এমনিতেই উত্তর পারবে।
আর এর পুরো বিপরীত হচ্ছে কার্বানায়নের ক্ষেত্রে।
আলফা কার্বন কি?
উপরে যা লিখলাম সেগুলো থেকে বিভিন্ন নাম করা প্রতিষ্ঠানে প্রশ্ন আসছে। ইনশা~আল্লাহ আবার পাবে।
মারকনিকভ নিয়মঃ মারকনিকভের নিয়ম থেকে আমরা এটা জানি যে, এ নিয়ম শুধু অ্যালকিনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য তাও আবার অপ্রতিসম অ্যালকিন হতে হবে। অপ্রতিসম মানে কি রকম? অ্যালকিনের দ্বিবন্ধনের উভয় পাশে কার্বন সংখ্যা সমান হবে না। যেমনঃ CH3CH=CHCH3 দ্বিবন্ধনের উভয় পাশে কার্বন সংখ্যা সমান, প্রতিসম অ্যালকিন। CH3CH2CH=CH2 দ্বিবন্ধনের উভয় পাশে কার্বন সংখ্যা সমান নয়- অপ্রতিসম অ্যালকিন। অপ্রতিসম বিকারকঃ HCl, HBr, HOCl, H2SO4
অপ্রতিসম অ্যালকিনের সাথে অপ্রতিসম বিকারকের বিক্রিয়ায় বিকারকের H বা ধনাত্মক প্রান্ত টি অ্যালকিনের দ্বিবন্ধনের যে পাশের কার্বনে H বেশী সেখানে যুক্ত হবে। 2CH3CH2CH=CH2+2HBr→CH3CH2CHBrCH3(80%-90%)+...
এই নিয়মের বিপরীত হলে তাকে বিপরীত মারকনিকভ নিয়ম বলব।
কোনো কথায় যদি আমাদের সাথে না মিলে, আমরা ইনস্ট্যান্ট বকা দেই একটা কথা বলে সেটা হলো খাটাস। এটা তো মারকনিকভের নিয়মের সাথে মিলে না, কাকতালীয়ভাবে এই বিপরীত নিয়ম টা দিছে বিজ্ঞানী খারাস। এছাড়াও আমরা এটাকে পার অক্সাইড নিয়মও বলতে পারব। কারণ বিপরীত ফলাফল পাওয়ার জন্য অল্প পরিমাণ জৈব পারঅক্সাইডের উপস্থিতিতে বিক্রিয়া করাতে হয়।
শীঘ্রই বাকি অংশের আপডেট আসবে।
No comments:
Post a Comment