window.dataLayer = window.dataLayer || []; function gtag(){dataLayer.push(arguments);} gtag('js', new Date()); gtag('config', 'G-PPT9VPR9JV'); মেডিকেল-ডেন্টাল-ভার্সিটি-এডমিশন: 2021

Wednesday, 7 July 2021

গণিতের সকল সূত্রঃ

▶️বীজগাণিতিক সূত্রাবলী

1.📷 (a+b)²= a²+2ab+b²

2.📷 (a+b)²= (a-b)²+4ab

3.📷 (a-b)²= a²-2ab+b²

4.📷 (a-b)²= (a+b)²-4ab

5.📷 a² + b²= (a+b)²-2ab.

6.📷 a² + b²= (a-b)²+2ab.

7.📷 a²-b²= (a +b)(a -b)

8.📷 2(a²+b²)= (a+b)²+(a-b)²

9.📷 4ab = (a+b)²-(a-b)²

10.📷 ab = {(a+b)/2}²-{(a-b)/2}²

11.📷 (a+b+c)² = a²+b²+c²+2(ab+bc+ca)

12.📷 (a+b)³ = a³+3a²b+3ab²+b³

13.📷 (a+b)³ = a³+b³+3ab(a+b)

14.📷 a-b)³= a³-3a²b+3ab²-b³

15.📷 (a-b)³= a³-b³-3ab(a-b)

16.📷 a³+b³= (a+b) (a²-ab+b²)

17.📷 a³+b³= (a+b)³-3ab(a+b)

18.📷 a³-b³ = (a-b) (a²+ab+b²)

19.📷 a³-b³ = (a-b)³+3ab(a-b)

20. (a² + b² + c²) = (a + b + c)² – 2(ab + bc + ca)

21.📷 2 (ab + bc + ca) = (a + b + c)² – (a² + b² + c²)

22.📷 (a + b + c)³ = a³ + b³ + c³ + 3 (a + b) (b + c) (c + a)

23.📷 a³ + b³ + c³ – 3abc =(a+b+c)(a² + b²+ c²–ab–bc– ca)

24.📷 a3 + b3 + c3 – 3abc =½ (a+b+c) { (a–b)²+(b–c)²+(c–a)²}

25.📷(x + a) (x + b) = x² + (a + b) x + ab

26.📷 (x + a) (x – b) = x² + (a – b) x – ab

27.📷 (x – a) (x + b) = x² + (b – a) x – ab

28.📷 (x – a) (x – b) = x² – (a + b) x + ab

29.📷 (x+p) (x+q) (x+r) = x³ + (p+q+r) x² + (pq+qr+rp) x +pqr

30.📷 bc (b-c) + ca (c- a) + ab (a - b) = - (b - c) (c- a) (a - b)

31.📷 a² (b- c) + b² (c- a) + c² (a - b) = -(b-c) (c-a) (a - b)

32.📷 a (b² - c²) + b (c² - a²) + c (a² - b²) = (b - c) (c- a) (a - b)

33.📷 a³ (b - c) + b³ (c-a) +c³ (a -b) =- (b-c) (c-a) (a - b)(a + b + c)

34.📷 b²-c² (b²-c²) + c²a²(c²-a²)+a²b²(a²-b²)=-(b-c) (c-a) (a-b) (b+c) (c+a) (a+b)

35.📷 (ab + bc+ca) (a+b+c) - abc = (a + b)(b + c) (c+a)

36.📷 (b + c)(c + a)(a + b) + abc = (a + b +c) (ab + bc + ca)

📷📷আয়তক্ষেত্র📷

1.আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = (দৈর্ঘ্য × প্রস্থ) বর্গ একক

2.আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা = 2 (দৈর্ঘ্য+প্রস্থ)একক

3.আয়তক্ষেত্রের কর্ণ = √(দৈর্ঘ্য²+প্রস্থ²)একক

4.আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য= ক্ষেত্রফল÷প্রস্ত একক

5.আয়তক্ষেত্রের প্রস্ত= ক্ষেত্রফল÷দৈর্ঘ্য একক

📷📷বর্গক্ষেত্র📷

1.বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = (যে কোন একটি বাহুর দৈর্ঘ্য)² বর্গ একক

2.বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা = 4 × এক বাহুর দৈর্ঘ্য একক

3.বর্গক্ষেত্রের কর্ণ=√2 × এক বাহুর দৈর্ঘ্য একক

4.বর্গক্ষেত্রের বাহু=√ক্ষেত্রফল বা পরিসীমা÷4 একক

📷📷ত্রিভূজ📷

1.সমবাহু ত্রিভূজের ক্ষেত্রফল = √¾×(বাহু)²

2.সমবাহু ত্রিভূজের উচ্চতা = √3/2×(বাহু)

3.বিষমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = √s(s-a) (s-b) (s-c)

এখানে a, b, c ত্রিভুজের তিনটি বাহুর দৈর্ঘ্য, s=অর্ধপরিসীমা

★পরিসীমা 2s=(a+b+c)

4সাধারণ ত্রিভূজের ক্ষেত্রফল = ½

(ভূমি×উচ্চতা) বর্গ একক

5.সমকোণী ত্রিভূজের ক্ষেত্রফল = ½(a×b)

এখানে ত্রিভুজের সমকোণ সংলগ্ন বাহুদ্বয় a এবং b.

6.সমদ্বিবাহু ত্রিভূজের ক্ষেত্রফল = 2√4b²-a²/4 এখানে, a= ভূমি; b= অপর বাহু।

7.ত্রিভুজের উচ্চতা = 2(ক্ষেত্রফল/ভূমি)

8.সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজ =√ লম্ব²+ভূমি²

9.লম্ব =√অতিভূজ²-ভূমি²

10.ভূমি = √অতিভূজ²-লম্ব²

11.সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের উচ্চতা = √b² - a²/4

এখানে a= ভূমি; b= সমান দুই বাহুর দৈর্ঘ্য।

12.★ত্রিভুজের পরিসীমা=তিন বাহুর সমষ্টি

📷📷রম্বস📷

1.রম্বসের ক্ষেত্রফল = ½× (কর্ণদুইটির গুণফল)

2.রম্বসের পরিসীমা = 4× এক বাহুর দৈর্ঘ্য

📷📷সামান্তরিক📷

1.সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল = ভূমি × উচ্চতা =

2.সামান্তরিকের পরিসীমা = 2×(সন্নিহিত বাহুদ্বয়ের সমষ্টি)

📷📷ট্রাপিজিয়াম📷

1. ট্রাপিজিয়ামের ক্ষেত্রফল =½×(সমান্তরাল বাহু দুইটির যােগফল)×উচ্চতা

📷📷 ঘনক📷

1.ঘনকের ঘনফল = (যেকোন বাহু)³ ঘন একক

2.ঘনকের সমগ্রতলের ক্ষেত্রফল = 6× বাহু² বর্গ একক

3.ঘনকের কর্ণ = √3×বাহু একক

📷📷আয়তঘনক📷

1.আয়তঘনকের ঘনফল = (দৈৰ্ঘা×প্রস্ত×উচ্চতা) ঘন একক

2.আয়তঘনকের সমগ্রতলের ক্ষেত্রফল = 2(ab + bc + ca) বর্গ একক

[ যেখানে a = দৈর্ঘ্য b = প্রস্ত c = উচ্চতা ]

3.আয়তঘনকের কর্ণ = √a²+b²+c² একক

4. চারি দেওয়ালের ক্ষেত্রফল = 2(দৈর্ঘ্য + প্রস্থ)×উচ্চতা

📷📷বৃত্ত📷

1.বৃত্তের ক্ষেত্রফল = πr²=22/7r² {এখানে π=ধ্রুবক 22/7, বৃত্তের ব্যাসার্ধ= r}

2. বৃত্তের পরিধি = 2πr

3. গোলকের পৃষ্ঠতলের ক্ষেত্রফল = 4πr² বর্গ একক

4. গোলকের আয়তন = 4πr³÷3 ঘন একক

5. h উচ্চতায় তলচ্চেদে উৎপন্ন বৃত্তের ব্যাসার্ধ = √r²-h² একক

6.বৃত্তচাপের দৈর্ঘ্য s=πrθ/180° ,

এখানে θ =কোণ

📷সমবৃত্তভূমিক সিলিন্ডার / বেলন📷

সমবৃত্তভূমিক সিলিন্ডারের ভূমির ব্যাসার্ধ r এবং উচ্চতা h আর হেলানো তলের উচ্চতা l হলে,

1.সিলিন্ডারের আয়তন = πr²h

2.সিলিন্ডারের বক্রতলের ক্ষেত্রফল (সিএসএ) = 2πrh।

3.সিলিন্ডারের পৃষ্ঠতলের ক্ষেত্রফল (টিএসএ) = 2πr (h + r)

📷সমবৃত্তভূমিক কোণক📷

সমবৃত্তভূমিক ভূমির ব্যাসার্ধ r এবং উচ্চতা h আর হেলানো তলের উচ্চতা l হলে,

1.কোণকের বক্রতলের ক্ষেত্রফল= πrl বর্গ একক

2.কোণকের সমতলের ক্ষেত্রফল= πr(r+l) বর্গ একক

3.কোণকের আয়তন= ⅓πr²h ঘন একক

📷✮বহুভুজের কর্ণের সংখ্যা= n(n-3)/2

✮বহুভুজের কোণগুলির সমষ্টি=(2n-4)সমকোণ

এখানে n=বাহুর সংখ্যা

★চতুর্ভুজের পরিসীমা=চার বাহুর সমষ্টি

📷ত্রিকোণমিতির সূত্রাবলীঃ📷

1. sinθ=लম্ব/অতিভূজ

2. cosθ=ভূমি/অতিভূজ

3. taneθ=लম্ব/ভূমি

4. cotθ=ভূমি/লম্ব

5. secθ=অতিভূজ/ভূমি

6. cosecθ=অতিভূজ/লম্ব

7. sinθ=1/cosecθ, cosecθ=1/sinθ

8. cosθ=1/secθ, secθ=1/cosθ

9. tanθ=1/cotθ, cotθ=1/tanθ

10. sin²θ + cos²θ= 1

11. sin²θ = 1 - cos²θ

12. cos²θ = 1- sin²θ

13. sec²θ - tan²θ = 1

14. sec²θ = 1+ tan²θ

15. tan²θ = sec²θ - 1

16, cosec²θ - cot²θ = 1

17. cosec²θ = cot²θ + 1

18. cot²θ = cosec²θ - 1

📷📷 বিয়ােগের সূত্রাবলি📷

1. বিয়ােজন-বিয়োজ্য =বিয়োগফল।

2.বিয়ােজন=বিয়ােগফ + বিয়ােজ্য

3.বিয়ােজ্য=বিয়ােজন-বিয়ােগফল

📷📷 গুণের সূত্রাবলি📷

1.গুণফল =গুণ্য × গুণক

2.গুণক = গুণফল ÷ গুণ্য

3.গুণ্য= গুণফল ÷ গুণক

📷📷 ভাগের সূত্রাবলি📷

নিঃশেষে বিভাজ্য না হলে।

1.ভাজ্য= ভাজক × ভাগফল + ভাগশেষ।

2.ভাজ্য= (ভাজ্য— ভাগশেষ) ÷ ভাগফল।

3.ভাগফল = (ভাজ্য — ভাগশেষ)÷ ভাজক।

*নিঃশেষে বিভাজ্য হলে।

4.ভাজক= ভাজ্য÷ ভাগফল।

5.ভাগফল = ভাজ্য ÷ ভাজক।

6.ভাজ্য = ভাজক × ভাগফল।

📷📷ভগ্নাংশের ল.সা.গু ও গ.সা.গু সূত্রাবলী 📷

1.ভগ্নাংশের গ.সা.গু = লবগুলাের গ.সা.গু / হরগুলাের ল.সা.গু

2.ভগ্নাংশের ল.সা.গু =লবগুলাের ল.সা.গু /হরগুলার গ.সা.গু

3.ভগ্নাংশদ্বয়ের গুণফল = ভগ্নাংশদ্বয়ের ল.সা.গু × ভগ্নাংশদ্বয়ের গ.সা.গু.

📷গড় নির্ণয় 📷

1.গড় = রাশি সমষ্টি /রাশি সংখ্যা

2.রাশির সমষ্টি = গড় ×রাশির সংখ্যা

3.রাশির সংখ্যা = রাশির সমষ্টি ÷ গড়

4.আয়ের গড় = মােট আয়ের পরিমাণ / মােট লােকের সংখ্যা

5.সংখ্যার গড় = সংখ্যাগুলাের যােগফল /সংখ্যার পরিমান বা সংখ্যা

6.ক্রমিক ধারার গড় =শেষ পদ +১ম পদ /2

📷📷সুদকষার পরিমান নির্নয়ের সূত্রাবলী📷

1. সুদ = (সুদের হার×আসল×সময়) ÷১০০

2. সময় = (100× সুদ)÷ (আসল×সুদের হার)

3. সুদের হার = (100×সুদ)÷(আসল×সময়)

4. আসল = (100×সুদ)÷(সময়×সুদের হার)

5. আসল = {100×(সুদ-মূল)}÷(100+সুদের হার×সময় )

6. সুদাসল = আসল + সুদ

7. সুদাসল = আসল ×(1+ সুদের হার)× সময় |[চক্রবৃদ্ধি সুদের ক্ষেত্রে]।

📷📷লাভ-ক্ষতির এবং ক্রয়-বিক্রয়ের সূত্রাবলী📷

1. লাভ = বিক্রয়মূল্য-ক্রয়মূল্য

2.ক্ষতি = ক্রয়মূল্য-বিক্রয়মূল্য

3.ক্রয়মূল্য = বিক্রয়মূল্য-লাভ

অথবা

ক্রয়মূল্য = বিক্রয়মূল্য + ক্ষতি

4.বিক্রয়মূল্য = ক্রয়মূল্য + লাভ

অথবা

বিক্রয়মূল্য = ক্রয়মূল্য-ক্ষতি

📷📷1-100 পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যামনে রাখার সহজ উপায়ঃ📷

শর্টকাট :- 44 -22 -322-321

★1থেকে100পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা=25টি

★1থেকে10পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা=4টি 2,3,5,7

★11থেকে20পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা=4টি 11,13,17,19

★21থেকে30পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা=2টি 23,29

★31থেকে40পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা=2টি 31,37

★41থেকে50পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা=3টি 41,43,47

★51থেকে 60পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা=2টি 53,59

★61থেকে70পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা=2টি 61,67

★71থেকে80 পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা=3টি 71,73,79

★81থেকে 90পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা=2টি 83,89

★91থেকে100পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা=1টি 97

📷1-100 পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা 25 টিঃ

2,3,5,7,11,13,17,19,23,29,31,37,41,43,47,53,59,61,67,71,73,79,83,89,97

📷1-100পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যার যোগফল

1060।

📷1.কোন কিছুর

গতিবেগ= অতিক্রান্ত দূরত্ব/সময়

2.অতিক্রান্ত দূরত্ব = গতিবেগ×সময়

3.সময়= মোট দূরত্ব/বেগ

4.স্রোতের অনুকূলে নৌকার কার্যকরী গতিবেগ = নৌকার প্রকৃত গতিবেগ + স্রোতের গতিবেগ।

5.স্রোতের প্রতিকূলে নৌকার কার্যকরী গতিবেগ = নৌকার প্রকৃত গতিবেগ - স্রোতের গতিবেগ

📷সরল সুদ📷

যদি আসল=P, সময়=T, সুদের হার=R, সুদ-আসল=A হয়, তাহলে

1.সুদের পরিমাণ= PRT/100

2.আসল= 100×সুদ-আসল(A)/100+TR

📷📷নৌকার গতি স্রোতের অনুকূলে ঘন্টায় 10 কি.মি. এবং স্রোতের প্রতিকূলে 2 কি.মি.। স্রোতের বেগ কত?

★টেকনিক-

স্রোতের বেগ = (স্রোতের অনুকূলে নৌকার বেগ - স্রোতের প্রতিকূলে নৌকার বেগ) /2

= (10 - 2)/2=

= 4 কি.মি.

📷একটি নৌকা স্রোতের অনুকূলে ঘন্টায় 8 কি.মি.এবং স্রোতের প্রতিকূলে ঘন্টায় 4 কি.মি.

যায়। নৌকার বেগ কত?

★ টেকনিক-

নৌকার বেগ = (স্রোতের অনুকূলে নৌকার বেগ+স্রোতের প্রতিকূলে নৌকার বেগ)/2

= (8 + 4)/2

=6 কি.মি.

📷নৌকা ও স্রোতের বেগ ঘন্টায় যথাক্রমে 10 কি.মি. ও 5 কি.মি.। নদীপথে 45 কি.মি. পথ একবার গিয়ে ফিরে আসতে কত সময় লাগবে?

টেকনিক-

★মােট সময় = [(মােট দূরত্ব/ অনুকূলে বেগ) + (মােট দূরত্ব/প্রতিকূলে বেগ)]

উত্তর:স্রোতের অনুকূলে নৌকারবেগ = (10+5) = 15 কি.মি.

স্রোতের প্রতিকূলে নৌকার বেগ = (10-5) = 5কি.মি.

[(45/15) +(45/5)]

= 3+9

=12 ঘন্টা

📷★সমান্তর ধারার ক্রমিক সংখ্যার যোগফল-

(যখন সংখ্যাটি1 থেকে শুরু)1+2+3+4+......+n হলে এরূপ ধারার সমষ্টি= [n(n+1)/2]

n=শেষ সংখ্যা বা পদ সংখ্যা s=যোগফল

📷 প্রশ্নঃ 1+2+3+....+100 =?

📷 সমাধানঃ[n(n+1)/2]

= [100(100+1)/2]

= 5050

📷★সমান্তর ধারার বর্গ যোগ পদ্ধতির ক্ষেত্রে,-

প্রথম n পদের বর্গের সমষ্টি

S= [n(n+1)2n+1)/6]

(যখন 1² + 2²+ 3² + 4²........ +n²)

📷প্রশ্নঃ(1² + 3²+ 5² + ....... +31²) সমান কত?

📷সমাধানঃ S=[n(n+1)2n+1)/6]

= [31(31+1)2×31+1)/6]

=31

📷★সমান্তর ধারার ঘনযোগ পদ্ধতির ক্ষেত্রে-

প্রথম n পদের ঘনের সমষ্টি S= [n(n+1)/2]2

(যখন 1³+2³+3³+.............+n³)

📷প্রশ্নঃ1³+2³+3³+4³+…………+10³=?

📷সমাধানঃ [n(n+1)/2]2

= [10(10+1)/2]2

= 3025

📷★পদ সংখ্যা ও পদ সংখ্যার সমষ্টি নির্নয়ের ক্ষেত্রেঃ

পদ সংখ্যা N= [(শেষ পদ – প্রথম পদ)/প্রতি পদে বৃদ্ধি] +1

📷প্রশ্নঃ5+10+15+…………+50=?

📷সমাধানঃ পদসংখ্যা = [(শেষ পদ – প্রথমপদ)/প্রতি পদে বৃদ্ধি]+1

= [(50 – 5)/5] + 1

=10

সুতরাং পদ সংখ্যার সমষ্টি

= [(5 + 50)/2] ×10

= 275

📷★ n তম পদ=a + (n-1)d

এখানে, n =পদসংখ্যা, a = 1ম পদ, d= সাধারণ অন্তর

📷প্রশ্নঃ 5+8+11+14+.......ধারাটির কোন পদ 302?

📷 সমাধানঃ ধরি, n তম পদ =302

বা, a + (n-1)d=302

বা, 5+(n-1)3 =302

বা, 3n=300

বা, n=100

📷★6)সমান্তর ধারার ক্রমিক বিজোড় সংখ্যার যোগফল-S=M² এখানে,M=মধ্যেমা=(1ম সংখ্যা+শেষ সংখ্যা)/2

📷প্রশ্নঃ1+3+5+.......+19=কত?

📷 সমাধানঃ S=M²

={(1+19)/2}²

=(20/2)²

=100

📷📷 বর্গ📷

(1)²=1,(11)²=121,(111)²=12321,(1111)²=1234321,(11111)²=123454321

📷📷নিয়ম-যতগুলো 1 পাশাপাশি নিয়ে বর্গ করা হবে, বর্গ ফলে 1 থেকে শুরু করে পর পর সেই সংখ্যা পর্যন্ত লিখতে হবে এবং তারপর সেই সংখ্যার পর থেকে অধঃক্রমে পরপর সংখ্যাগুলো লিখে 1 সংখ্যায় শেষ করতে হবে।

📷(3)²=9,(33)²=1089,(333)²=110889,(3333)²=11108889,(33333)²=1111088889

📷যতগুলি 3 পাশাপাশি নিয়ে বর্গ করা হবে, বর্গ ফলে এককের ঘরে 9 এবং 9 এর বাঁদিকে তার চেয়ে (যতগুলো 3 থাকবে) একটি কম সংখ্যক 8, তার পর বাঁদিকে একটি 0 এবং বাঁদিকে 8 এর সমসংখ্যক 1 বসবে।

📷(6)²=36,(66)²=4356,(666)²=443556,(6666)²=44435556,(66666)²=4444355556

📷যতগুলি 6 পাশাপাশি নিয়ে বর্গ করা হবে, বর্গ ফলে এককের ঘরে 6 এবং 6 এর বাঁদিকে তার চেয়ে (যতগুলো 6 থাকবে) একটি কম সংখ্যক 5, তার পর বাঁদিকে একটি 3 এবং বাঁদিকে 5 এর সমসংখ্যক 4 বসবে।

📷(9)²=81,(99)²=9801,(999)²=998001,(9999)²=99980001,(99999)²=9999800001

📷যতগুলি 9 পাশাপাশি নিয়ে বর্গ করা হবে, বর্গ ফলে এককের ঘরে 1 এবং 1 এর বাঁদিকে তার চেয়ে (যতগুলো 9 থাকবে) একটি কম সংখ্যক 0, তার পর বাঁদিকে একটি 8 এবং বাঁদিকে 0 এর সমসংখ্যক 9 বসবে।

📷📷📷জনক≠Father

1)Numerology (সংখ্যাতত্ত্ব)- Pythagoras(পিথাগোরাস)

2) Geometry(জ্যামিতি)- Euclid(ইউক্লিড)

3) Calculus(ক্যালকুলাস)- Newton(নিউটন)

4) Matrix(ম্যাট্রিক্স) - Arthur Cayley(অর্থার ক্যালে)

5)Trigonometry(ত্রিকোণমিতি)Hipparchus(হিপ্পারচাস)

6) Arithmetic(পাটিগণিত) Brahmagupta(ব্রহ্মগুপ্ত)

7) Algebra(বীজগণিত)- Muhammad ibn Musa al-Khwarizmi(মােহাম্মদ মুসা আল খারিজমী)

😎 Logarithm(লগারিদম)- John Napier(জন নেপিয়ার)

9) Set theory(সেট তত্ত্ব)- George Cantor(জর্জ ক্যান্টর)

10) Zero(শূন্য)- Brahmagupta(ব্রহ্মগুপ্ত)

📷📷📷অঙ্কের ইংরেজি শব্দ

পাটিগণিত ও পরিমিতি

অঙ্ক-Digit, অনুপাত-Ratio, মৌলিক সংখ্যা—Prime number, পূর্ণবর্গ-Perfect square,উৎপাদক-Factor,ক্রমিক সমানুপাতী—Continued proportion, ক্রয়মূল্য -Cost price, ক্ষতি-Loss, গড়-Average, গতিবেগ-Velocity, গুণফল-Product, গ,সা,গু-Highest Common Factor, ঘাত-Power, ঘনমূল—Cube root, ঘনক-Cube, ঘনফল-Volume, পূর্নসংখ্যা-Integer, চাপ-Arc, চোঙ-Cylinder, জ্যা-Chord, জোড় সংখ্যা-Even number, ধ্রুবক-Constant, পরিসীমা-Perimeter, বাস্তব-Real, বর্গমূল-Square root, ব্যস্ত অনুপাত—Inverse ratio, বিজোড়সংখ্যা—Odd number, বিক্রয়মূল্য -Selling price, বীজগণিত—Algebra, মূলদ Rational, মধ্য সমানুপাতী -Mean proportional, যােগফল=Sum

ল,সা,গু-Lowest Common Multiple, লব-Numerator, শতকরা-Percentage, সমানুপাত-Proportion, সমানুপাতী-Proportional, সুদ-Interest, হর-Denominator,

📷জ্যামিতি

অতিভূজ—Hypotenuse, অন্তঃকোণ-Internal angle, অর্ধবৃত্ত-Semi-circle, অন্ত ব্যাসার্ধ-In-radius, আয়তক্ষেত্র-Rectangle, উচ্চতা-Height, কর্ণ–Diagonal, কোণ-Angle, কেন্দ্র-Centre, গােলক-Sphere, চতুর্ভুজ-Quadrilateral, চোঙ-Cylinder,জ্যামিতি-Geometry,দৈর্ঘ্য-Length, পঞ্চভূজ -Pentagon, প্রস্থ-Breadth

পূরককোন-Complementary angles, বাহু-Side, বৃত্ত-Circle, ব্যাসার্ধ-Radius, ব্যাস-Diameter, বহুভূজ-Polygon, বর্গক্ষেত্র—Square, বহি:স্থ External, শঙ্কু-Cone, সমকোণ-Right angle, সমবাহু ত্রিভূজ-Equilateral triangle, অসমবাহু ত্রিভূজ—Scalene triangle, সমদ্বিবাহু ত্রিভূজ-isosceles Triangle,সমকোণী ত্রিভুজ Right angled triangle, সূক্ষ্মকোণী-Acute angled triangle, স্থূলকোণী ত্রিভুজ Obtuse angled triangle, সমান্তরাল—Parallel, সরলরেখা—Straight line, সম্পূরক কোণ—Supplementary angles, সদৃশকোণী-Equiangular

📷রোমান সংখ্যা≠ Roman numerals )

1:I

2: II

3: III

4: IV

5: V

6: VI

7: VII

8: VIII

9: IX

10: X

11: XI

12: XII

13: XIII

14: XIV

15: XV

16: XVI

17: XVII

18: XVIII

19: XIX

20: XX,30: XXX,40: XL,50: L,60: LX,70: LXX,80: LXXX

,90: XC,100: C,200: CC,300: CCC,400: CD,500: D,600: DC

, 700: DCC,800: DCCC,900: CM,1000:M

📷📷1. জোড় সংখ্যা + জোড় সংখ্যা = জোড়

সংখ্যা।

যেমনঃ 2 + 6 = 8.

📷2. জোড় সংখ্যা + বিজোড় সংখ্যা =

বিজোড় সংখ্যা।

যেমনঃ 6 + 7 = 13.

📷3. বিজোড় সংখ্যা + বিজোড় সংখ্যা =

জোড় সংখ্যা।

যেমনঃ 3 + 5 = 8.

📷4. জোড় সংখ্যা × জোড় সংখ্যা = জোড়

সংখ্যা।

যেমনঃ 6 × 8 = 48.

📷5.জোড় সংখ্যা × বিজোড় সংখ্যা = জোড়

সংখ্যা।

যেমনঃ 6 × 7 = 42

📷6.বিজোড় সংখ্যা × বিজোড় সংখ্যা =

বিজোড় সংখ্যা।

যেমনঃ 3 × 9 = 27

📷📷ক্যালকুলেটর ছাড়া যে কোন সংখ্যাকে ভাগ করার একটি effective টেকনিক!

📷 ক্যালকুলেটর ছাড়া যে কোন সংখ্যাকে 5 দিয়ে ভাগ করার একটি effective টেকনিক

1.📷 13/5= 2.6 (ক্যালকুলেটর ছাড়া মাত্র ৩ সেকেন্ডে এটি সমাধান করা যায়)

📷★টেকনিকঃ

5 দিয়ে যে সংখ্যাকে ভাগ করবেন তাকে 2 দিয়ে গুণ করুন তারপর ডানদিক থেকে 1 ঘর আগে দশমিক বসিয়ে দিন। কাজ শেষ!!! 13*2=26, তারপর থেকে 1 ঘর আগে দশমিক বসিয়ে দিলে 2.6 ।

2.📷 213/5=42.6 (213*2=426)

0.03/5= 0.006 (0.03*2=0.06 যার একঘর আগে দশমিক বসালে হয় 0.006) 333,333,333/5= 66,666,666.6 (এই গুলা করতে আবার ক্যালকুলেটর লাগে না কি!)

3.📷 12,121,212/5= 2,424,242.4

এবার নিজে ইচ্ছেমত 5 দিয়ে যে কোন সংখ্যাকে ভাগ করে দেখুন

📷📷 ক্যালকুলেটর ছাড়া যে কোন সংখ্যাকে 25 দিয়ে ভাগ করার একটি effective টেকনিক

1.📷 13/25=0.52 (ক্যালকুলেটর ছাড়া এটিও সমাধান করা যায়)

📷★টেকনিকঃ

25 দিয়ে যে সংখ্যাকে ভাগ করবেন তাকে 4 দিয়ে গুণ করুন তারপর ডানদিক থেকে 2 ঘর আগে দশমিক বসিয়ে দিন। 13*4=52, তারপর থেকে 2 ঘর আগে দশমিক বসিয়ে দিলে 0.52 ।

02.📷 210/25 = 8.40

03.📷 0.03/25 = 0.0012

04.📷 222,222/25 = 8,888.88

05📷. 13,121,312/25 = 524,852.48

📷📷 ক্যালকুলেটর ছাড়া যে কোন সংখ্যাকে 125 দিয়ে ভাগ করার একটি effective টেকনিক

01.📷 7/125 = 0.056

📷★টেকনিকঃ

125 দিয়ে যে সংখ্যাকে ভাগ করবেন তাকে 8 দিয়ে গুণ করুন তারপর ডানদিক থেকে 3 ঘর আগে দশমিক বসিয়ে দিন। কাজ শেষ! 7*8=56, তারপর থেকে 3 ঘর আগে দশমিক বসিয়ে দিলে 0.056 ।

02.📷 111/125 = 0.888

03.📷 600/125 = 4.800

📷📷📷আসুন সহজে করি

টপিকঃ 10 সেকেন্ডে বর্গমূল নির্ণয়।

বিঃদ্রঃ যে সংখ্যাগুলোর বর্গমূল 1 থেকে 99 এর মধ্যে এই পদ্ধতিতে তাদের বের করা যাবে খুব সহজেই। প্রশ্নে অবশ্যই পূর্ণবর্গ সংখ্যা থাকা লাগবে। অর্থাৎ উত্তর যদি দশমিক ভগ্নাংশ আসে তবে এই পদ্বতি কাজে আসবেনা।

অবশ্যই মনোযোগ দিয়ে পড়তে হবে এবং প্র্যাকটিস করতে হবে। নয়ত ভুলে যাবেন।

তবে আসুন শুরু করা যাক। শুরুতে 1 থেকে 9 পর্যন্ত সংখ্যার বর্গ মুখস্থ করে নিই। আশা করি এগুলো সবাই জানেন। সুবিধার জন্যে আমি নিচে লিখে দিচ্ছি-

1 square = 1, 2 square = 4

3 square = 9, 4 square = 16

5 square = 25, 6 square = 36

7 square = 49, 8 square = 64

9 square = 81

এখানে প্রত্যেকটা বর্গ সংখ্যার দিকে খেয়াল করলে দেখবেন, সবার শেষের অংকটির ক্ষেত্রে -

★1 আর 9 এর বর্গের শেষ অংক মিল আছে (1, 81)

★2 আর 8 এর বর্গের শেষ অংক মিল আছে(4, 64)

★3 আর 7 এর বর্গের শেষ অংক মিল আছে (9, 49);

★4 আর 6 এর বর্গের শেষ অংক মিল আছে(16, 36);

এবং 5 একা frown emoticon

এদ্দুর পর্যন্ত বুঝতে যদি কোন সমস্যা থাকে তবে আবার পড়ে নিন।

📷উদাহরণ:- 576 এর বর্গমূল নির্ণয় করুন।

📷প্রথম ধাপঃ যে সংখ্যার বর্গমূল নির্ণয় করতে হবে তার এককের ঘরের অংকটি দেখবেন। এক্ষেত্রে তা হচ্ছে '6' ।

📷 দ্বিতীয় ধাপঃ উপরের লিস্ট থেকে সে সংখ্যার বর্গের শেষ অংক 6 তাদের নিবেন। এক্ষেত্রে 4 এবং 6 । আবার বলি, খেয়াল করুন- 4 এবং 6 এর বর্গ যথাক্রমে 16 এবং 36; যাদের এককের ঘরের অংক কিনা '6' । বুঝতে পেরেছেন? না বুঝলে আবার পড়ে দেখুন।

📷 তৃতীয় ধাপঃ 4 / 6 লিখে রাখুন খাতায়। (আমরা উত্তরের এককের ঘরের অংক পেয়ে গেছি, যা হচ্ছে 4 অথবা 6; কিন্তু কোনটা? এর উত্তর পাবেন অষ্টম ধাপে, পড়তে থাকুন ...)

📷 চতুর্থ ধাপঃ প্রশ্নের একক আর দশকের অংক বাদ দিয়ে বাকি অংকের দিকে তাকান। এক্ষেত্রে এটি হচ্ছে 5 ।

📷পঞ্চম ধাপঃ উপরের লিস্ট থেকে 5 এর কাছাকাছি যে বর্গ সংখ্যাটি আছে তার বর্গমূলটা নিন। এক্ষেত্রে 4, যা কিনা 2 এর বর্গ। (আমরা উত্তরের দশকের ঘরের অংক পেয়ে গেছি, যা হচ্ছে 2 )

📷ষষ্ঠ ধাপঃ 2 এর সাথে তার পরের সংখ্যা গুন করুন। অর্থাৎ 2*3=6

📷সপ্তম ধাপঃ চতুর্থ ধাপে পাওয়া সংখ্যাটা (5) ষষ্ঠ ধাপে পাওয়া সংখ্যার (6) চেয়ে ছোট নাকি বড় দেখুন। ছোট হলে তৃতীয় ধাপে পাওয়া সংখ্যার ছোটটি নেব, বড় হলে বড়টি। (বুঝতে পেরেছেন? নয়ত আবার পড়ুন)

📷অষ্টম ধাপঃ আমাদের উদাহরণের ক্ষেত্রে 5 হচ্ছে 6 এর ছোট, তাই আমরা 4 / 6 মধ্যে ছোট সংখ্যা অর্থাৎ 4 নেব।

📷নবম ধাপঃ মনে আছে, পঞ্চম ধাপে দশকের ঘরের অংক পেয়েছিলাম 2 এবার পেয়েছি এককের ঘরের অংক 4 । তাই উত্তর হবে 24

কঠিন মনে হচ্ছে? একদমই না, কয়েকটা প্র্যাকটিস করে দেখুন। আমার মতে খুব বেশি সময় লাগার কথা না।

📷উদাহরণ:- 4225 এর বর্গমূল বের করুন।

মনে আছে 5 যে একা ছিল? সে একা থাকায় আপনার কাজ কিন্তু অনেক সোজা হয়ে গেছে। দেখুন কেনো প্রশ্নের শেষ অংক 5 হওয়ায় উত্তরের এককের ঘরের অংক হবে অবশ্যই 5 ।

- প্রশ্নের একক ও দশকের ঘরের অংক বাদ দিয়ে দিলে বাকি থাকে 42 ।

- 42 এর সবচেয়ে কাছের পূর্ণবর্গ সংখ্যা হচ্ছে 36, যার বর্গমূল হচ্ছে 6 । তাই উত্তর হচ্ছে 65

Tuesday, 22 June 2021

জীববিজ্ঞানের সকল আকার-আকৃতি একসাথে

 U আকৃতি:

1. ডিওডেনাম

2. কোলন

3. নেফ্রন ফাঁস বা হেনলির লুপ 

4. ম্যান্ডিবল 

5. হাইওয়েড

6. মলাস্কার পৌষ্টিকনালি প্যাঁচানো; কখনও U আকৃতির।

 বৃক্কাকার:

1. ঘাসফড়িং এর ওমাটিডিয়াম (ষড়ভূজাকৃতির)

2. মনোসাইট (ঘোড়ার ক্ষুরের মতো)

3. লিম্ফনোড

4. লাম্বার কশেরুকা 

5. ফার্নের সোরাস 

নাশপাতি আকার:

1. নিডোসাইট (গোল, ডিম্বাকার, পেয়ালাকার বা লাটিম আকৃতি) 

2. ভলভেন্ট নেমাটোসিস্ট 

3. ঘাসফড়িং এর মস্তক

4. প্রস্টেট গ্রন্থি

5. সিবেসিয়াস গ্রন্থি

6. পিওথলি

7. জুস্পোর 

8. অ্যান্থেরিডিয়াম (গোলাকৃতির)


ত্রিকোণাকার:

1. হৃৎপিন্ড

2. ইন্টারস্টিশিয়াল কোষ 

3. গিজার্ড বা প্রোভেন্ট্রিকুলাস 

4. ভার্টেক্স, কক্সা 

5. ঘাসফড়িং এর ম্যান্ডিবল 

6. ঘাসফড়িং এর অ্যালারি পেশি

7. স্টেপিস অস্থি (ঘোড়ার জিনের পাদানির মতো)

8. স্টার্নামের ম্যানুব্রিয়াম 

9. স্ক্যাপুলা

10. স্যাক্রাম

11. প্যাটেলা

12. ত্রিভূজাকার ক্ষুদ্র ট্রোক্যান্টার 

13. নাক


মিশ্র গ্রন্থি:

1. যকৃত

2. অগ্ন্যাশয় 

3. ডিম্বাশয়

4. শুক্রাণু 

 V আকৃতি:

1. ডেলটয়েড রিজ 

2. একবীজপত্রী উদ্ভিদের কান্ড (Y/V)

 ফানেল আকৃতি:

1. ঘাসফড়িং এর হৃদযন্ত্রের প্রকোষ্ঠ

2. রেনাল পেলভিস

3. ইনফান্ডিবুলাম 

 মটরদানা:

1. পিটুইটারি গ্রন্থি

2. বাল্বোইউরেথ্রাল বা কাওপার-এর গ্রন্থি 

রিং/আংটি:

1. হাইড্রার প্রস্থচ্ছেদ

2. ঘাসফড়িং এর টিনিডিয়া 

3. অ্যাটলাস কশেরুকা 

4. আর্চ 

 বাদাম আকৃতি:

1. ডিম্বাশয়

2. অশ্রুগ্রন্থি ( পটল আকৃতি)

 প্রজাপতি আকৃতি: 

1. স্ফেনয়েড অস্থি

2. থাইরয়েড গ্রন্থি 

3. সুষুম্নাকান্ডের গ্রেম্যাটার (H আকৃতি)

 পিরামিড আকৃতি:

1. মেডুলা অবলাংগাটা

2. রেনাল পিরামিড

3. ইকোলজিক্যাল পিরামিড 

4. নাক 

 চাকতি আকৃতি:

1. লোহিত রক্তকণিকা

2. অমরা

3. চোখের লেন্স (দ্বিউওল)

বহুভূজাকার কোষ:

1. ঘাসফড়িং ট্রাকিয়ার এপিথেলিয়াম 

2. যকৃত

3. আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্স

ডানার মতো:

1. স্ফেনয়েড অস্থি

2. ইলিয়াম 


ফ্লাস্ক আকৃতি:

1. আর্কিগোনিয়াম

2. পিকনিডিয়া

3. স্বাদকুড়ি

মোচাকৃতি:

1. হাইড্রার হাইপোস্টোম

2. হাইড্রার শুক্রাশয় 

3. ঘাসফড়িং এর ক্রপ

4. হেপাটিক সিকা (কোণ আকৃতির)

5. ক্রিস্টালাইন কোণ

6. সাইকাস এর পুংস্ট্রোবিলাস 

 শিম বীজের মতো: বৃক্ক


মরিচের মতো: অগ্ন্যাশয় 

খোলসের মতো: অক্সিপিটাল 

ঝিনুকের মতো: ফ্রন্টাল 

আয়তাকার:

1. ঘাসফড়িং মস্তকের বহিঃকঙ্কাল অংশ ক্লাইপিয়াস

2. ন্যাসাল

চারকোণা:

1. প্যারাইটাল (চারকোণা প্লেটের মতো)

2. জাইগোম্যাটিক

3. ভোমা

1. নিডোসাইট

2. রুইমাছের RBC

3. রুইমাছের সারকিউলাস সেফালিকাস

4. 72 ঘন্টা পর রুইমাছের লার্ভার বায়ুথলি

5. ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস 

6. মস্তিষ্ক

7. থ্যালামাস

8. টিমপেনিক পর্দা (মানুষ+ঘাসফড়িং)

9. মনোসাইট

10. ঘাসফড়িং এর শ্বাসরন্দ্র

11. লালাগ্রন্থি (গোলাকার)

12. সেন্ট্রাম

13. ম্যাকুলা লুটিয়া 

14. ফেনেস্ট্রা ওভালিস

15. পিনিয়াল গ্রন্থি

16. ৫ম স্যাক্রাল কশেরুকা ডিম্বাকৃতির ফ্যাসেট বিদ্যমান

17. ঐচ্ছিক পেশিতে ডিম্বাকার নিউক্লিয়াস

18. শুক্রাণুর নিউক্লয়াস 

19. শুক্রাণু

20. পরাগরেণু (গোলাকার, ত্রিভুজাকার)


Monday, 21 June 2021

বিভিন্ন জায়গার ভৌগোলিক উপনামঃ-


সোনালী আঁশের দেশ — বাংলাদেশ।

হাজার দ্বীপের দেশ — ইন্দোনেশিয়া।

অন্ধকারের দেশ – আফ্রিকা।

সূর্যোদয়ের দেশ – জাপান ।

মুক্তার দেশ — কিউবা।

নীরব খনির দেশ — বাংলাদেশ।

সম্মেলনের শহর — জেনেভা।

রৌপ্যের শহর — আলজিয়ার্স।

গ্র্যানাইডের শহর — এভারডিন।

পবিত্র দেশ — ফিলিস্তিন।

ভাটির দেশ — বাংলাদেশ।

বজ্রপাতের দেশ — ভূটান।

সিল্ক রুটের দেশ — ইরান।

লিলি ফুলের দেশ — কানাডা।

ম্যাপল পাতার দেশ — কানাডা।

গোলাপীর শহর — রাজস্থান।

ঝর্ণার শহর — তাসখন্দ।

সাদা শহর — বেলগ্রেড।

শান্ত সকালের দেশ — কোরিয়া।

রাজ প্রসাদের শহর — কলকাতা।

মোটর গাড়ির শহর — ডেট্রয়েট।

নিশ্চুপ সড়ক শহর — ভেনিস।

পোপের শহর — ভ্যাটিকান।

সোনালী প্যাগোডার দেশ — মায়ানমার।

নীরব শহর — রোম।

পিরামিডের দেশ — মিশর।

ভূমিকম্পের দেশ — জাপান।

শ্বেতহস্তীর দেশ — থাইল্যান্ড।

চির সবুজের দেশ — নাটাল।

পঞ্চনদের দেশ — পাকিস্তান।

নিশীথ সূর্যের দেশ — নরওয়ে।

চলচিত্রের শহর – হলিউড ।

দ্বীপের মহাদেশ — অস্ট্রেলিয়া।

প্রাচীরের দেশ — চীন।

নীলনদের দেশ — মিশর।

ধীবরের দেশ — নরওয়ে।

Saturday, 19 June 2021

জৈবযৌগের সকল নামীয় বিক্রিয়া ও উৎপন্ন যৌগঃ

 


১.উর্টজ = আলকেন

২.উর্টজ ফিটিগ (শুষ্ক ইথার)= টলুইন ( আলকাইল বেনজিন)

৩.কার্বিল আমিন(60-70°C) CHCl3+3KOH = ফিনাইল আইসো সায়ানাইড

৪.রাইমার টাইমেন = স্যালিসাইলডিহাইড

৫.কোব বিক্রিয়া = স্যালিসাইলিক এসিড

৬.উইলিয়াম সংশ্লেষ বিক্রিয়া (R-ONa)+ (X-R)≈ = ইথার

৭.স্যাপোনিফিকেশন = সাবান

৮.হফম্যান ক্ষুদ্রাংশকরণ(Br2+4NaOH) = প্রাইমারি আমিন ( আলিফেটিক & আরোমেটিক)

৯.রোজেনমুন্ড বিজারণ (Pd-BaSO4) (144°C)= আলডিহাইড

১০.ডুমা বিক্রিয়া = আলকেন

১১.ক্লিমেনসন বিজারণ(Zn.Hg) ও গাঢ় HCl = আলকেন

১২.স্যান্ডমেয়ার (100°C)(Cu2Cl2) বেনজিন ডায়াজোনিয়াম।  =  ক্লোরো বেনজিন

১৩.গ্যাটারমেন = ক্লোরো বেনজিন

১৪.CaC2 এর আর্দ্রবিশ্লেষণ = ইথাইন

১৫.গ্রোভেস = আলকাইল হ্যালাইড

১৬.সোয়ার্টস(AgF,Hg2F2,SbF3,AsF3) = আলকাইল ফ্লোরাইড

১৭.ডার্জেন(SOCl2) = আলকাইল ক্লোরাইড

১৮.ক্লোরোফর্মের জারণ (HCl +AgNO3)= ফসজিন গ্যাস (COCI2)

১৯.ইটার্ড বিক্রিয়া = বেনজালডিহাইড

২০.যুগলায়ন বা কাপলিং = আজোবেনজিন

২১.এমোনিয়াম নাইট্রেট+ TNT = এমাটল

২২.বেকম্যান পুনর্বিন্যাস = প্যারাসিটামল 

২৩.বেনজিনে হ্যালোজেন সংযোজন = গ্যামাক্সিন বা লিনডেন।(জীবাণু নাশক)

২৪.বেনজিনে ওজোন সংযোজন = গ্লাইঅক্সাল

২৫. ফরমালডিহাইড+ মেলামাইন = মেলাডুর

২৬.ফরমালডিহাইড+ফেনল = ব্যাকেলাইট

২৭.ফরমালডিহাইড +ইউরিয়া = ফরমিকা

২৮.ফিডেল ক্রাফট আলকাইলেশন (অনার্দ্র AlCl3) = টলুইন

২৯.ফিডেল ক্রাফট আসাইলেশন(অনার্দ্র AlCl3) = এসিটোফেনন/ মিথাইল ফিনাইল কিটোন...

৩০.নাইট্রেশন (৬০°C) গাঢ় H2SO4ও গাঢ় HNO3= নাইট্রোবেনজিন।



⚡কিছু গুরুত্বপূর্ণ জিনিস:-


ফ্রি রেডিক্যাল এর স্হায়িত্বের ক্রম:3°›2°›1°

কার্বোনিয়াম আয়ন এর স্হায়িত্ব:3°›2°›1°

কার্বানায়ন এর স্হায়িত্ব:1°›2°›3°

SN1:::: 3°›2°›1°

SN2:::: 1°›2°›3°

প্রশম ইলেকট্রোপাইল : AlCl3,BF3

প্রশম নিঊক্লিওপাইল: NH3,H2O,R-NH2,R-OH

হ্যালোজেন সক্রিয়তা :: F2›Cl2›Br2›I2

অ্যামিন এর ক্ষারধর্মিতা:: 2›°1°›3°


⚡জৈবযৌগের প্রয়োজনীয় তাপমাত্রাসমূহঃ-❣️


১.বেনজয়িক এসিডের গলনাংক ১২১°সে

২.NaCI এর গলনাংক ৮০১°সে

৩. মিথানলের স্ফুটনাংক ৬৫°সে

৪.উডস্পিরিটের স্ফুটনাংক ৬৫°সে

৫.রেকটিফাইড স্পিরিটের স্ফুটনাংক ৭৮.১৫°সে

৬.ইথানলের স্ফুটনাংক ৭৮.৩°সে

৭.বেনজিনের স্ফুটনাংক ৮০.৪°সে

৮.টলুইনের স্ফুটনাংক ১১১°সে

৯.জাইলিনের স্ফুটনাংক ১৪৪°সে

১০.গ্লিসারিন এর স্ফুটনাংক ২৯০°সে


⚡পাতন তাপমাত্রাঃ

১.ইথানয়িক এসিড = ১১৮°সে

২.ফরমিক এসিড= ১০১°সে

৩.ফেনল= ১৮০-১৮২°সে

৪.বেনজিন= ৮০-৮২°সে

৫.টলুইন= ১০৮-১১০°সে

৬.৯০% বেনজল= ৭০-১১০°সে

৭.৫০% বেনজল= ১১০-১৪০°সে

৮.পেট্রোল বা গ্যাসোলিন= ৩৫-১৭৫°সে



আপনাদের জন্য আর একটু সাজিয়ে দেওয়া হল। 

মেডিকেল এডমিশন পরীক্ষার জন্য জীববিজ্ঞান ১ম পত্রের বিভ্রান্তিকর তথ্য

  🥼ConfusionClear!! 🥼


জীবনের ভৌত ভিত্তি =  Protoplasm 

জীবনের আণবিক ভিত্তি = DNA


বংশগতির ভৌত ভিত্তি =  Chromosome

বংশগতির আণবিক ভিত্তি = DNA 

বংশগতির রাসায়নিক ভিত্তি =  DNA

বংশগতির একক = কোষ

বংশগতির মূল একক = Chromosome


জীবনের আধার = Protoplasm

অঙ্গানুর আধার = সাইটোপ্লাজম 


Blue print = Chromosome

জীবনের blue print = জিন

Master print = জিনোম

Master blue print = জিনোম (M-18)

Master molecule = DNA

Language of life = Protein


Protoplasm = জীবনের ভৌত ভিত্তি

Ribosome = কোষের প্রোটিন ফ্যাক্টরি 

Ribosome = সার্বজনীন অঙ্গাণু

Golgi body = Carbohydrates factory

Golgi body = Traffic police

Lysosome = আত্মঘাতি থলিকা

Endoplasmic reticulam = কোষের পরিবহনতন্ত্র

Mitochondrea = Power house

Chloroplast = শর্করা জাতীয় খাদ্যের কারখানা

Nucleas =  কোষের মস্তিষ্ক

Chloroplast = কোষের রান্নাঘর

100 important proverb for medical and versity admission exam

গুরুত্বপূর্ণ ১০০ Proverb 

মেডিকেল ও ডেন্টাল ভর্তি পরীক্ষায় ইংরেজি অংশে যে কমন টপিকগুলো আছে, যেগুলো থেকে প্রতিবছর এক/একাধিক প্রশ্ন হয়, তার মধ্যে Translation একটি। আর Translation অংশে Proverb থেকে প্রশ্ন আসেই। বিগত সালগুলোর প্রশ্ন বিশ্লেষণ করলে বলা যায়, বন্দুকের গুলি মিস গেলেও Proverb থেকে প্রশ্ন মিস যাবেনা। 

বিগত বছরগুলোতে বিসিএস, সরকারি অন্যান্য চাকরি, মেডিকেল  ও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তি পরীক্ষায় আসা Proverb গুলোর মধ্যে থেকে এবছর মেডিকেল ও ডেন্টালের জন্য সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ ১০০ টি Proverb নির্বাচিত করলাম।  আশা করি, সবাই গুরুত্বসহকরে এগুলো পড়ে ১-২ নাম্বার নিশ্চিত করবে। 


    এক নজরে ১০০ Proverb 

০১. যার কোন গুণ নাই তার কপালে আগুন।

It is a pity, he is good for nothing.

০২. আপন গায়ে কুকুর রাজা।

Every dog is a lion at home.

০৩. ডোল ভরা আশা আর কুলো ভরা ছাই।

Extravagant hopes lead to complete disappointment.

০৪. নিজের পায়ে কুড়াল মারা।

To dig one’s own grave.

০৫. উঠন্ত মুলো পত্তনে চেনা যায়।

Morning shows the day.

০৬. উলুবনে মুক্তো ছড়ানো ।

Pearls before swine.

০৭. উৎপাতের কড়ি চিৎপাতে যায়।

Ill got, ill spent.

০৮. একবার না পারিলে দেখ শতবার।

If at first try you don’t succeed, try, try again!

০৯. কত হাতি গেল তল, মশা বলে কত জল।

Fools rush in where angels fear to tread.

১০. কম পানির মাছ বেশ পানিতে উঠলে ও মাছে বেশ লাফালাফি করে।

Being unnecessarily flashy is pointless

১১. কাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলা।

Using a thorn to remove a thorn.

১২. কাটা ঘায়ে নুনের ছিটে।

To add insult to injury.

১৩. কানা গরুর ভিন্ন পথ।

The fool strays from the safe path.

১৪. কারও পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ।

One’s harvest month, is another’s complete devastation.

১৫. বিপদ কখনও একা আসে না।

Misfortune never comes alone.

১৬. আয়ের অধিক ব্যয় করো না।

Do not live above your means.

১৭. কিনতে পাগল বেচতে ছাগল। 

Necessity never makes a bargain.

১৮. কুকুরের পেটে ঘি মজে না।

Habit is the second nature.

১৯. কুমিরের সঙ্গে বিবাদ করে জলে বাস। 

It is hard to sit at Rome and strike with the Pope.

২০. ঘষতে ঘষতে পাথরও ক্ষয় হয়।

Constant dripping wears out the stone.

২১. গাইতে গাইতে গায়েন। 

Practice makes a man perfect.

২২. ঘরে পোড়া গরু সিঁদুরে মেঘ দেখলে ডরায়। 

A burnt child dreads the fire.

২৩. গেঁয়ো যোগী ভিখ পায় না। 

A prophet is not honoured in his own country.

২৪. অধীনতা অপেক্ষা মৃত্যু শ্রেয়। 

Even death is preferable to bondage.

২৫. সে হাড়ে হাড়ে দুষ্ট। 

He is wicked to the backbone.

২৬. ভাই ভাই ঠাঁই ঠাঁই। 

Brothers will part.

২৭. ঘুঘু দেখেছ, ফাঁদ দেখ নি।

You must not see things with half an eye.

২৮. চেনা বামুনের পৈতার দরকার হয় না।

Good wine needs no bush.

২৯. চোখের আড়াল হলেই মনের আড়াল হয়।

Out of sight, out of mind.

৩০. চোর পালালে বুদ্ধি বাড়ে।

To lock the stable when the mare is stolen.

৩১. চোরা না শোনে ধর্মের কাহিনী।

The devil would not listen to the scriptures.

৩২. চোরে চোরে মাসতুত ভাই।

Birds of a feather flock together.

৩৩. টাকায় টাকা আনে।

Money begets money.

৩৪. ঠাকুর ঘরে কেরে, অামি কলা খাই না।

A guilty mind is always suspicious.

৩৫. গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল।

To count one’s chickens before they are hatched.

৩৬. মরা হাতি লাখ টাকা।

The very ruins of greatness are great.

৩৭. জলে কুমির ডাঙায় বাঘ।

Between the devil and the deep sea.

৩৮. মশা মারতে কামান দাগা।

To break a butterfly on a wheel.

৩৯. দুধ কলা দিয়ে কালসাপ পোষা।

To cherish a serpent in one’s bossom.

৪০. এক মাঘে শীত যায় না। 

One swallow does not make a summer.

৪১. এক হাতে তালি বাজে না। 

It takes two to make a quarrel.

৪২. শেষ ভালো যার, সব ভালো তার/ওস্তাদের মার শেষ রাতে। 

All’s well that ends well.

৪৩. কর্জ নাই, কষ্ট নাই। 

Out of debt, out of danger.

৪৪. কত ধানে কত চাল বুঝবে। 

you will know now what’s what.

৪৫. কাঁচায় না নোয়ালে বাঁশ পাকলে করে ঠাস ঠাস।

To strike the iron while it is hot.

৪৬. কারো পৌষ মাস কারো সর্বনাশ।

What is sport to the cat is death to the rat.

৪৭. কান টানলে মাথা আসে।

Given the one, the other will follow.

৪৮. অতি চালাকের গলায় দড়ি।

Too much cunning over reaches itself.

৪৯. অতি লোভে তাতি নষ্ট।

Grasp all, lose all.

৫০. ভাবিয়া করিও কাজ।

Look before you leap.

৫১. অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট।

Too many cooks spoil the broth.

৫২. অতি ভক্তি চোরের লক্ষণ।

Too much courtesy, too much craft.

৫৩. অভাবে স্বভাব নষ্ট।

Necessity knows no law.

৫৪. অতি দর্পে হত লংকা।

Pride goes before its fall.


৫৫. আপনি বাঁচলে বাপের নাম।

Self preservation is the first law of nature.

৫৬. অহিংসা পরম ধর্ম।

Non-violence is a supreme virtue.

৫৭. অসারের তর্জন গর্জনই সার।

Empty vessels sound much.

৫৮. আয় বুঝে ব্যয় কর।

Cut your coat according to your cloth.

৫৯. আসলের চেয়ে সুদ মিষ্টি।

Interest is sweeter than principal.

৬০. যেমন কর্ম তেমন ফল।

As you sow, so you reap.

৬১. সততাই সর্বোৎকৃষ্ট পন্থা।

Honesty is the best policy.

৬২. সব ভাল তার শেষ ভাল যার।

All’s well that ends well.

৬৩. দশের লার্ঠি একের বোঝা।

Many a little makes a mickle.

৬৪. বিপদ কখনো একা আসে না।

Misfortune never comes alone.

৬৫. নাই মামার চেয়ে কানা মামা ভাল।

Something is better than nothing.

৬৬. মানুষ মাত্রই ভুল করে।

To err is human.

৬৭. সময়ের এক ফোঁড় অসময়ের দশ ফোঁড়।

A stitch in time save nine.

৬৮. নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা।

A bad workman quarrels with his tools.

৬৯. উঠন্ত মুলো পত্তনেই চেনা যায়।

Morning shows the day.

৭০. ভিক্ষার চাল কাঁড়া আকাঁড়া।

Beggars must not be choosers.

৭১. ঢিলটি মারলে পাটকেলটি খেতে হয়।

Tit for tat.

৭২. মন্ত্রের সাধন কিংব শরীর পতন।

Do or die.

৭৩. বাপ কা বেটা।

Like father, like son.

৭৪. নানা মুনির না পথ।

Many men, many minds.

৭৫ প্রয়োজনই আবিষ্কারের প্রসূতি।

Necessity is the mother of invention.

৭৬. যত গর্জে তত বর্ষে না।

Barking dogs seldom bite.

৭৭. যতক্ষণ শ্বাস ততক্ষণ আশ।

While there is life there is hope.

৭৮. এক মাঘে শীত যায় না।

One swallow doesn’t make a summer.

৭৯. টাকায় টাকা আনে।

Money begets money

৮০. চকচক করলেই সোনা হয় না।

All that glitters is not gold.

৮১. জোর যার মুলুক তার।

Might is right

৮২. ইচ্ছা থাকলে উপায় হয়।

Where there is a will, there is a way.

৮৩. চোরে চোরে মাসতুতো ভাই।

Birds of the same feather flock together.

৮৪. গাছ তার ফলে পরিচয়।

A tree is known by its fruits.

৮৫. চাচা আপন প্রাণ বাঁচা।

Every one for himself.

৮৬. আয় বুঝে ব্যয় কর।

Cut your coat according to your cloth.

৮৭. জ্ঞানই শক্তি।

Knowledge is power.

৮৮. একতাই বল।

Unity is strength.

৮৯. অল্প বিদ্যা ভয়ঙ্করী।

A little learning is a dangerous thing.

৯০. অসময়ের বন্ধুই প্রকৃত বন্ধু।

A friend in need is a friend indeed.

৯১. একতায় উত্থান, বিভেদে পতন।

United we stand, divided we fail.

৯২. অপচয় করো না, অভাবও হবে না।

Waste not, want not.

৯৩. অসারের তর্জন গর্জনই সার।

Empty vessel sounds much.

৯৪. আপন চরকায় তেল দাও।

Oil your own machine.

৯৫. কষ্ট বিনা কেষ্ট মেলে না।

No pains, no gains.

৯৬. কয়লা ধূলে ময়লা যায় না।

Black will take no other hue.

৯৭. আপন ভাল তো জগত ভালো।

To the pure all things are pure.

৯৮. উপদেশের চেয়ে দৃষ্টান্ত ভালো।

Example is better than precept.

৯৯. এক হাতে তালি বাজে না।

It takes two to make quarrel.

১০০. উদোর পিন্ডি বুদোর ঘাড়ে।

One doth the scathe, another hath the scorn.


Credit: আসিফ আহমেদ, 

শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ, ঢাকা

এইচএসসি-২০২১ শর্ট সিলেবাস (Hsc-2021 short syllabus)

 HSC Syllabus 2021

পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র (অধ্যায় ২,৪,৫,৮,১০)

পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র (অধ্যায় ১,৩,৭,৮,১০)

রসায়ন ১ম পত্র (অধ্যায় ২,৩,৪,৫)

রসায়ন ২য় পত্র (অধ্যায় ১,২,৩,৪)

উদ্ভিদবিজ্ঞান (অধ্যায় ২,৭,৮,৯,১০)

প্রাণিবিজ্ঞান (অধ্যায় ১,২,৩,৪,১১)


উচ্চতর গণিত ১ম পত্র(অধ্যায় ১,৩,৯,১০)

উচ্চতর গণিত ২য় পত্র(অধ্যায় ৪,৬,৭,৮)


তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (অধ্যায় ১,২,৩,৪)


বাংলা (গদ্য)

১/ অপরিচিতা

২/ আমার পথ

৩/ বায়ান্নর দিনগুলো

৪/ রেইনকোট

৫/ নেকলেস

বাংলা(পদ্য)

১/ ঐকতান

২/ সাম্যবাদী

৩/ তাহারেই পরে মনে

৪/ সেই অস্ত্র

৫/ ফেব্রুয়ারী ১৯৬৯

 উপন্যাস আর নাটক দুইটাই থাকবে


English For Today

Unit 1(Lesson 1,2,3)

Unit 2(Lesson 1,2,3,4)

Unit 3(Lesson 1,2,3)

Unit 4(Lesson 1,2,3,4)

Unit 5(Lesson 1,2)

Unit 7(Lesson 1,2,3)

Unit 12(Lesson 1,2,3,4,5)

Wednesday, 16 June 2021

মানবদেহ নিয়ে কিছু তথ্য

 

(১)♦পৌষ্টিকনালির দৈর্ঘ্য -- 8-10 মিটার

(২)♦বৃহত্তম গ্রন্থি -- লিভার

(৩)♦বৃহত্তম কোষ -- স্নায়ুকোষ

(৪)♦ছোট কোষ --রক্তকোষ

(৫)♦মস্তিষ্কের বৃহত্তম অংশ --সেরিব্রাম

(৬)♦স্বাভাবিক রক্তচাপ --120/80

(৭)♦কিডনী সংখ্যা --2

(৮)♦হৃদয়ে চেম্বার সংখ্যা -- 4

(৯)♦এক মিনিটের মধ্যে পার্লস হার -- 72 বার

(১০)♦শারীরিক তাপমাত্রা --36.9°c(98°4 F)

(১১)♦বৃহত্তম এবং শক্তিশালী হাড় ---থাই

(১২)♦গর্ভাস্থার সময় --280 দিন

(১৩)♦নতুন জন্মের শিশুর গড় ওজনের--2.6 কেজি

(১৪)♦নবজাতক শিশুর হাড়সংখ্যা --300

(১৫)♦প্রাপ্তবয়স্কের হাড়সংখ্যা --206

(১৬)♦পাঁজর সংখ্যা --24(12জোড়)

(১৭)♦মুখে হার সংখ্যা --14

(১৮)♦বুকে হাড় সংখ্যা --25

(১৯)♦মাথার খুলি 29 টি হাড় দিয়ে গঠিত

(২০)♦প্রতিটি কব্জিতে হাড়সংখ্যা --8

(২১)♦একটি হাতের হাড়সংখ্যা --- 30(হিউমেরাস ১, রেডিয়াস ১, আলনা ১, কার্পাল ৪,মেটাকার্পাল ৫,ফ্যালান্ঞ্জেস ১৪)

(২২)♦প্রতিটি কানের হাড়সংখ্যা --3

(২৩)♦ছোট হাড় --স্টেপিস

(২৪)♦দুধের দাতের সংখ্যা --20

(২৫)♦গড় রক্তের পরিমাণ -- 5-6 লিটার

(২৬)♦রক্তের PH মান --7.35-7.45

(২৭)♦লোহিত রক্তকণিকার গড় আয়ু --120 দিন

(২৮)♦শ্বেত রক্তকণিকার গড় আয়ু -- 1-15 দিন 

(২৯)♦অণুচক্রিকার গড় আয়ু -- 8-12দিন

(৩০)♦মানুবকোষে ক্রোমোজোম সংখ্যা --46(23জোড়া)

(৩১)♦প্রথম স্থানান্তরিত অঙ্গ --বৃক্ক

(৩২)♦দেহের বৃহত্তম পেশি --গ্লুটিয়াস ম্যাক্সিমাস

(৩৩)♦দেহের দীর্ঘতম পেশী --সারটোরিয়াস

(৩৪)♦দেহের ক্ষুদ্রতম পেশি --স্টেপিডিয়াস

(৩৫)♦দীর্ঘতম ধমনী --অ্যাওর্টা

(৩৬)♦দীর্ঘতম স্নায়ু --সায়টিক স্নায়ু

(৩৭)♦মানবদেহের বৃহত্তম অঙ্গতন্ত্র --অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি

(৩৮)♦বৃহত্তম অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি --থাইরয়েড

(৩৯)♦ক্ষুদ্রতম অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি --পিনিয়াল বডি

(৪০)♦বৃহত্তম পৌষ্টিক গ্রন্থি --যকৃত

(৪১)♦বৃহত্তম লসিকা গ্রন্থি --প্লিহা

(৪২)♦বৃহত্তম লালাগ্রন্থি --প্যারোটিড গ্রন্থি

(৪৩)♦মানবদেহের সর্বাপেক্ষা বড়/দীর্ঘতম অস্থি --ফিমার 

(৪৪)♦মানবদেহের দীর্ঘ যষ্টির মতো অস্থি --ফিবুলা

(৪৫)♦মানবদেহের সর্বাপেক্ষা কঠিনতম বস্তু -- দাতের এনামেল

(৪৬)♦মানবদেহের একমাত্র নড়নক্ষম হাড়ের নাম --ম্যান্ডিবল

(৪৭)♦মানবদেহের সর্বাপেক্ষা সুদৃঢ় কলা --অস্থি

(৪৮)♦মানবদেহে সর্বাপেক্ষা বড় স্নায়ু -- ট্রাইজেমিনাল

(৪৯)♦মানবদেহের সর্বাপেক্ষা ছোট স্নায়ু --অলফ্যাক্টরী স্নায়ু

উৎপাদনে শীর্ষ👉 উৎপাদনে শীর্ষ জেলা

Wednesday, 17 March 2021

উৎপাড়নে শীর্ষ জেলা

উৎপাদনে কোন জেলা কি উৎপাদনে শীর্ষ অবস্থানে আছে সেটা মনে রাখতে গিয়ে রীতি মতো হিমশিম খেতে হয়। যদি ছন্দের মাধ্যমে মুখুস্ত রাখতে পারি তবে মন্দ টা কোথায়। নিচে একটা ছন্দ দিলাম- 

 উৎপাদনে শীর্ষ জেলা

ময়মনসিংহের সোনালী ধান;

রাজশাহীতে আম বাগান;

ভুট্টা লিচু দিনাজপুর;

পাবনায় নাই পেঁয়াজ চোর;

গোলাপ দিবে যশোর-

সয়াবিন সুপারির লক্ষীপুর

গম এনে ঠাকুরগাঁও গেলো দাদা ঠাকুর! 

ভালো আম আনতে নাটোর।

তুলা পাই ঝিনাইদহে, আলু পাই বগুড়ায়  -

চা বেশী মৌলভী বাজার, তামাক চাও তো যাও কুষ্টিয়ায়। 

পাট ও মশুর, ঐ দূর জেলা ফরিদপুর,

পেঁয়ারার জন্য যাও ফিরোজপুর।

আনারস ভালো টাঙ্গালীর 

আর কলা কাঁঠাল নরসিংদীর।

আদা - কমলা ভালো চাও তো দাদা-

যাও তবে রাঙ্গামাটি, 

ভোলা কিন্তু ভালো নারকেল আর তরমুজের ঘাঁটি।

জীববিজ্ঞান ভর্তি পরীক্ষার লিখিত অংশের সাজেশন

Friday, 5 March 2021

জীববিজ্ঞান ১ম পত্র -০২

 জীব বিজ্ঞান ১ম পত্র লিখিত প্রশ্নের সাজেশন-০২

আমরা জীব বিজ্ঞান ১ম পত্রের বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি লিখিত পরীক্ষার জন্য নোট দুটি অংশ করে দিব। প্রথম অংশে থাকবে ১ম থেকে ৬ষ্ট অধ্যায় পর্যন্ত। আর দ্বিতীয় অংশে থাকবে ৭ম হতে দ্বাদশ পর্যন্ত। সহজে নোট পেতে গুগলে esoshiki24 সার্চ দিলেই পেয়ে যাবে। 

নগ্নবীজী ও আবৃতবীজী উদ্ভদ

প্রশ্নগুলোর উত্তর করোঃ

  1. সাইকাসকে জীবন্ত জীবাশ্ম বলা হয় কেন

  2. সাইকাসের মূলকে কোরালয়েড মূল বলা হয় কেন

  3. পামফার্ন কী

  4. নগ্নবীজী উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য লিখ

  5. রুট টিউবার কী

  6. দ্বিনিষেক কী

  7. মাইক্রোস্পোরোফিল/মেগাস্পোরোফিল কী

  8. পুস্প সংকেত ও পুস্প প্রতীক কী

  9. একবীজ ও দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের পার্থক্য লিখ

  10. স্পাইকলেট/ক্যারিওপসিস কী

  11. Imbricate aestivation ও vaxillary aestivation বলতে কী বোঝায়/ পার্থক্য

  12. Poaceae/ Malvaceae গোত্রের বৈশিষ্ট্য

  13. পুস্পসংকেত লিখঃ ধান, জবা, মূলা, বাবলা

  14. বহুপ্রান্তীয় অমরাবিন্যাস কী

  15. মাতৃঅক্ষ ও পুস্পপুট বলতে কী বোঝায়

  16. Poaceae / Malvaceae গোত্রের ৪ টি করে উদ্ভিদের বৈজ্ঞানিক নাম ও তাদের অর্থনৈতিক গুরুত্ব

এক কথায় উত্তর করোঃ

  1. দেঁড়স/জবা/ধান/শিম/তামাক কোন গোত্রের

  2. ক্ষুদ্রাকৃতির আবৃতবীজী / বাংলাদেশের সবচেয়ে ক্ষুদ্র আবৃতবীজি উদ্ভদের নাম কি

  3. সবচেয়ে বড় শুক্রানু পাওয়া যায় কোন উদ্ভিদে কোথায়

  4. বর্তমান বিশ্বে সর্বাধিক উচ্চ বৃক্কের নাম কি ও কোথায় পাওয়া যায়

  5. কোন গোত্রের উদ্ভিদের পরাগধানী বৃক্কাকৃতির

  6. সাইকাসের পাতায় কোন ধরনের টিস্যু বিদ্যমান

  7. অনিয়ত বর্ধনশীল মঞ্জুরীদন্ডযুক্ত পুস্প মঞ্জুরীকে কি বলে

  8. যে ফল পাকলে নিচ থেকে উপর বরাবর ফেঁটে যায় তাকে কি বলে

  9. জবা/ধান/বার্লি/গম/দেঁড়শ এর বৈজ্ঞানিক নাম লিখ

  10. এক প্রকোষ্ট ও একটি মাত্র বীজযুক্ত ফলকে কি বলে

  11. নগ্নবীজি উদ্ভিদের সস্য কি ধরনের (মনে আছে? শুধু মাত্র পর্দাশীল (আবৃতবীজি) উদ্ভিদের সস্যে ট্রিপ্লয়েড সস্য পাওয়া যায় বলছিলাম। এখানে দেখে নিতে পারো 👉)

  12. পেন্টামেরাস পুস্প কোন গোত্রের উদ্ভিদের

  13. কোন গোত্রের উদ্ভিদের পরাগরেণু বৃহৎ এবং কন্ঠকিত

টিস্যু ও টিস্যুতন্ত্র

প্রশ্নগুলোর উত্তর করোঃ

  1. মেটা জাইলেম ও প্রোটোজাইলেম কী

  2. মজ্জারশ্মি কী

  3. এন্ডার্ক ও এক্সার্ক কী

  4. মেরিষ্টেম কী

  5. পরিচক্র কী

  6. বহিঃস্টিলীয় অঞ্চল কী

  7. একটি একবীজ/দ্বিবীজ পত্রী উদ্ভিদের কান্ডের অন্তর্গঠন সনাক্তকারী বৈশিষ্ট্য লিখ

  8. হাইডাথোড ও স্টোমাটার মধ্যে পার্থক্য কী

  9. এপিব্লেমা কী

  10. পেরিডার্ম ও প্রোটোডার্ম কী 

  11. শীর্ষস্থ ভাজক টিস্যু বলতে কী বোঝায়

  12. সমদ্বিপার্শ্বীয় ভাস্কুলার বান্ডল বলতে কী বোঝায়

  13. ভাস্কুলার বান্ডল কী

  14. প্রোক্যাম্বিয়াম কী

  15. সেকেন্ডারী বৃদ্ধি কী

  16. সরল টিস্যু ও জটিল টিস্যু বলতে কী বোঝায়

  17. জাইলেম ও ফ্লোয়েম টিস্যুর পার্থক্য 

  18. নিবেশিত ভাজক টিস্যু কী/ভাজক টিস্যুর ৪টি বৈশিষ্ট্য ও কাজ লিখ

  19. টিস্যু কী/ পরিবহন টিস্যু কী

  20. মূল ও কান্ডের গঠনের পার্থক্য লিখ

  21. ক্যাম্বিয়াম কী

  22. স্টিলি কী/অন্তঃস্টিলীয় অঞ্চলের অংশগুলো লিখ

এককথায় উত্তর করোঃ

  1. সীভপ্লেট থাকে কোন কোষ থাকে/ পাতায় কোনধরনের টিস্যের বিভাজন হয়/ কোন ধরনের টিস্যর বিভাজনে উদ্ভিদের ব্যাস বৃদ্ধি পায়

  2. কোন টিস্যু থেকে রাবার পাওয়া যায়

  3. ক্যাম্বিয়াম কোন দরনের টিস্যু

  4. ফেলেম, ফেলোজেন এবং ফেলোডার্ম কে একত্রে কি বলে

  5. কাঠের প্রধান উপাদান কি

  6. পাটের আঁশে কোন ধরনের টিস্য থাকে

  7. মূলে কোন ধরনের ভাস্কুলার বান্ডল থাকে

  8. বড় বড় বায়ু কুঠুরি যুক্ত প্যারেন কাইমা টিস্যুকে কি বলে

  9. মূলের বহিরাবরণ কে কি বলে/ পাতার ক্লোরেন কাইমাকে কি বলে

  10. উদ্ভিদের বায়বীয় মূলে কোন টিস্যু থাকে

  11. কর্ক ক্যাম্বিয়াম কি/ কর্ক টিস্যু সৃষ্টিকারী ক্যাম্বিয়ামকে কি বলে

  12. উদ্ভিদের বাকল তৈরি হয় কোন টিস্যু থেকে

  13. স্ক্লেরেনকাইমা টিস্যু প্রাচীরে কী জমা হয়

  14. কচুরিপানায় কোন টিস্যু বিদ্যমান

  15. সরুগর্ভযুক্ত ভেসেল কোষের নাম কি

  16. স্ক্লেরেনকাইমা টিস্যু ফ্লোয়েমের মাথায় অবস্থান করলে তাকে কি বলে

  17. পেরিসাইকেল স্তর থেকে আরম্ভ করে ভাস্কুলার বান্ডলসহ কেন্দ্র পর্যন্ত অংশকে কি বলে

  18. পত্ররন্ধ্র কি

  19. বিশেষ ধরনের ট্রাইকোম কে কি বলে

  20. মেটাজাইলেম পরিধির দিকে আর প্রোটোজাইলেম কেন্দ্রের দিকে অবস্থিত হলে তাকে কি বলে

  21. জাইলেম ও ফ্লোয়েমের মাঝখানে কয়েকস্তর বিশিষ্ট আয়তাকার ভাজক কোষ দিয়ে গঠিত টিস্যুকে কি বলে

উদ্ভিদ শারীরতত্ব

প্রশ্নগুলোর উত্তর করোঃ

  1. লেন্টিকুলার প্রস্বেদন কী

  2. ETS বলতে কী বোঝায়

  3. আত্মীকরণ অঞ্চল বলতে কী বোঝায় / ফটোরেসপিরেশন কী

  4. C3 ও C4উদ্ভিদ বলতে কী/ চারটি পার্থক্য লিখ

  5. উদ্ভিদের মাইক্রো মৌল/ অত্যাবশ্যকীয় মৌলগুলো কি কি

  6. শ্বসন বস্তু কী/ গ্লাইকোলাইসিস কী

  7. ফটোফসফোরাইলেশন কী/ চক্রীয় ও অচক্রীয় ফটোফসফোরাইলেশন এর পার্থক্য লিখ ৪টি

  8. ফটোফসফোরাইলেশন ও অক্সিডিটিভফসফোরাইলেশন এর পার্থক্য লিখ ৪ টি

  9. ক্রেবস চক্র কী

  10. সালোকসংশ্লেষণে O2 এর উৎস কী প্রমাণ করো

  11. সক্রিয় ও নিস্ক্রিয় পরিশোষনের মধ্যে ৪ টি পার্থক্য লিখ

  12. ডোনান সাম্যাবস্থা কী/ক্রাঞ্জ এনাটমি কী

  13. সালোকসংশ্লেষণের বিক্রিয়াটি লিখ ও এর প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করো / শ্বসনের রাসায়নিক বিক্রিয়াটি লিখ ও এর প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করো

  14.  ফটোলাইসিস অব ওয়াটার বলতে কী বোঝায়

  15. PS-I ও PS-II কী

  16. C3 চক্র/ C4 চক্র কী

  17. ভ্যান নীলের পরীক্ষা বর্ণনা কর

  18.  বাস্পমোচন ও বাস্পীভবন কী

  19. R.Q কী?  এটি কিভাবে হিসাব করা হয়

  20. পত্ররন্ধ্রের ৩ টি কাজ লিখ

  21. সালোকসংশ্লেষণ হার কী? এটি কিভাবে হিসাব করা হয়

Sunday, 28 February 2021

যেকোনো সার্জারির আগে নির্ধারিত সার্জারির দিনে রোগীকে খালি পেটে থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়। এর কারণ কী?

যেকোনো সার্জারির আগে নির্ধারিত সার্জারির দিনে রোগীকে খালি পেটে থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়। এর কারণ খাদ্যের কণা যাতে পেট থেকে Aspiration হয়ে শ্বাসনালীতে আটকে গিয়ে শ্বাসের ক্রিয়া বন্ধ না হয়ে যায়, বা ফুসফুসে চলে গিয়ে সংক্রমণের কারণ না হয়(aspiration pneumonitis), তাই এই উপবাসের সাবধানতা নেওয়া হয়।

এটা ভালোভাবে বুঝতে হলে আমাদের রোগীকে Anaesthesia দেওয়ার প্রক্রিয়াটা জানতে হবে।

রোগীকে প্রথমে নিশ্বাসের মাধ্যমে অক্সিজেনের সাথে মিশিয়ে Inhalational Anaesthetic Agent দেওয়া হয়। তার সাথে চলে কড়া ঘুমের ওষুধ। এতে রোগী অচৈতন্য হয়ে যান, এবং শরীর অবশ ও অসার হয়ে গিয়ে Anaesthesia প্রক্রিয়ার চলন শুরু হয়। এবার এই anaesthesia কে টিকিয়ে রাখতে রক্তের মাধ্যমে intravenous anaesthetic agent দেওয়া হয় - যাতে অবশ ও অসার অবস্থা দীর্ঘস্থায়ী হয়।

এবার কাটাকুটি করা যেতে পারে তো, না কি? রোগীর তো আর ব্যথা লাগবে না!

না, এখনও দুটো কাজ বাকি আছে -

(Endotracheal Intubation)

  1. শরীরের মাংসপেশীর একটা স্বাভাবিক tone থাকে, অর্থাৎ স্বাভাবিক অবস্থায় সেটা খানিকটা সংকোচনের অবস্থায় থাকে। এ অবস্থায় কাটাকুটি করতে গেলে সমস্যা, তাই, রোগীকে muscle relaxant দিতে হবে। এতে মাংসপেশী শিথিল হবে। কিন্তু মাংসপেশী শিথিল হলে নিশ্বাসের প্রক্রিয়া বজায় রাখে যে সব মাংসপেশী - সেইগুলো তো শিথিল হয়ে কাজ বন্ধ করে দেবে! তখন রোগী শ্বাস আটকে মারা যেতে পারেন। প্রথমে যে অক্সিজেন দেওয়া হয়েছিল, সেটা যতক্ষণ (খুব বেশিক্ষণ নয়) রক্তে থাকবে, ততক্ষণ তিনি সুস্থ থাকবেন, এবং তার মধ্যেই রোগীর গলায় নল ঢুকিয়ে endotracheal intubation করে দিতে হবে। এতে রোগী নিজে নিজে নিশ্বাস নিতে না পারলেও ফুসফুসে বাইরের থেকে অক্সিজেন সরবরাহ করা যাবে। তাই muscle relaxant দেওয়ার সাথে-সাথেই রোগীকে intubation করে দিতে অক্সিজেন সরবরাহের ব্যবস্থা করে দিতে হবে।
  2. কিন্তু গলায় কিছু ঢুকলে সঙ্গে সঙ্গে কাশি পাবে আর সেটা বার হয়ে আসার কথা, তাই না? Intubation এর নল গলায় কি করে ঢুকবে? কিন্তু এই ক্ষেত্রে রোগীর কাশি পাবে কিন্তু কাশি হবে না - কারণ muscle relaxant এর প্রভাবে তাঁর গলার মাংসপেশীর সংকোচন বন্ধ করা আছে। এমন কি, anaesthetic agent এর দরুণ তাঁর মস্তিষ্ক এটা অনুভব করতেই পারবে না যে গলায় কিছু প্রবেশ করানো হচ্ছে, অতএব কাশি পাওয়ার প্রশ্ন উঠছে না।

(Endotracheal Tube)

তা intubation করা হলে শ্বাসনালী প্রায় পুরোটাই আটকে যায় সাধারণত। কিন্তু তাও পাকস্থলীর থেকে খাবার উঠে তা গলার মাধ্যমে ফুসফুসে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই রোগীকে না খাইয়ে রাখা হয় - পেটে খাদ্যের কণা না থাকলে আর সে ভয়ও থাকে না। এ ছাড়াও অসার করার এবং মাংসপেশী শিথিল করার ওষুধের কার্যক্ষমতা তো অপরিমিত নয়, তারও শেষ আছে, একবার muscle relaxant বা anaesthetic agent দেওয়া ও তার কার্যক্ষমতা শেষ হওয়া এবং আবার নতুন করে সব দেওয়ার মধ্যের সময়ে খাদ্যবস্তু গলায় উঠে এলে রোগী শ্বাস আটকে মারাও যেতে পারেন। তাই এই ব্যবস্থা।

তবে, বিভিন্ন খাদ্যবস্তুর সাথে তা খাওয়ার পর সময়ের কত ব্যবধানে অস্ত্রোপচার করা হবে, তার হেরফের আছে। সাধারণত কঠিন অথচ হাল্কা খাদ্যবস্তুর ক্ষেত্রে ৬ ঘন্টা, অস্বচ্ছ তরলের ক্ষেত্রে ৪ ঘন্টা; স্বচ্ছ তরল, স্তন্যদুগ্ধ ও জলের ক্ষেত্রে ২ ঘন্টা ও ভারী খাবারের ক্ষেত্রে ৮-১২ ঘন্টা। কোন খাবার কতক্ষণ পাকস্থলীতে থাকছে, এটা তার উপর নির্ভর করে।

বলা বাহুল্য যে আপৎকালীন অস্ত্রোপচারে(যেমন পথ দুর্ঘটনা ইত্যাদি) তো রোগী আগে থেকে উপবাস করে আসেন না, তাই অন্য পন্থা নিতে হয়।

  1. Ryles Tube এর মাধ্যমে খাবার পাকস্থলী থেকে বার করা যেতে পারে।
  2. এরপর যখন শ্বাসনালীতে নল ঢোকানোর সময় আসে, তখন প্রথমে গলায় চাপ দিয়ে খাদ্যনালী আটকে খুব দ্রুত শ্বাসনালীতে Laryngeal Mask Airway নামক বিশেষ নল ঢুকিয়ে দিতে হয়। এই পদ্ধতিকে Rapid Sequence Intubation বলে, এবং কখনও কখনও অতি স্থূলকায় বা গর্ভবতী রোগীর ক্ষেত্রেও এটা করা হয়, কারণ এঁদের গলায় খাদ্যবস্তু উঠে আসার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

(Laryngeal Mask Airway)

আশা করি বোঝাতে পারলাম।

এবার একটা কথা - Anaesthesia না করলে কী হবে? এত হাঙ্গামা না করে রোগীকে হাত-পা বেঁধে মুখে কাপড় গুঁজে অস্ত্রোপচার করাই না কেন - পরে শুধু ব্যথার জন্য কড়া ওষুধ দিয়ে? যদি রোগী অস্ত্রোপচারের ব্যথা অনুভব করতে পারেন, তবে কী হবে?

অত তীব্র ব্যথা যদি দেহে অনুভূত হয় তবে প্রচুর পরিমাণে adrenaline ক্ষরণ হয়ে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া প্রথমে অস্বাভাবিক রকম বেড়ে যাবে এবং রক্তচাপ অত্যন্ত দ্রুত বৃদ্ধি পাবে। হৃদযন্ত্র আগে থেকেই রোগগ্রস্ত থাকলে বা না থাকলেও এর ফলেই Arrhythmia হয়ে মৃত্যু হতে পারে। তা যদি না ড়য়, তবে এই increased sympathetic discharge কে ঠেকাতে পাশাপাশি parasympathetic discharge বৃদ্ধি পাবে - এবং সেটা যে পরিমাণে হবে, তাতে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া কমতে কমতে স্বাভাবিক হওয়ার বদলে একেবারে থেমে যাবে, রক্তচাপ নেমে যাবে, শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গে রক্তচলাচল ব্যহত হয়ে রোগী মারা যাবেন। 

Anaesthesia প্রচলন হওয়ার পূর্ববর্তী যুগে অধিকাংশ রোগীই অস্ত্রোপচারের টেবিল থেকে আর ফিরতেন না - তার এই প্রধান কারণ - প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী Antibiotics এর অভাবে সংক্রমণ হয়ে মৃত্যু হওয়ার জন্য রোগী অস্ত্রোপচারের পর অবধি বাঁচলে তবে তো! এমন কি, এই ব্যথার দুশ্চিন্তায় অনেকে আতঙ্কে হৃদযন্ত্র বন্ধ হয়ে অস্ত্রোপচারের আগেই মৃত্যু বরণ করতেন! আজও তেমন তীব্র ব্যথা হলে মানুষের মৃত্যু হয় - যেমন, রেল দুর্ঘটনায় হাত-পা কাটা যাওয়া, বা পথ দুর্ঘটনায় শিরদাঁড়া ভেঙে যাওয়া - তখন neurogenic shock থেকে হৃদযন্ত্র বন্ধ হয়ে মৃত্যু ঠেকানোর জন্য কিছুই করা যায় না। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া তো দূরের কথা, আশপাশের মানুষ ছুটে আসার আগেই সাধারণত দেখা যায় যে হতভাগ্য আক্রান্ত ব্যক্তিটি পরপারে যাত্রা করেছেন!

গণিতের সকল সূত্রঃ

▶️বীজগাণিতিক সূত্রাবলী 1.📷 (a+b)²= a²+2ab+b² 2.📷 (a+b)²= (a-b)²+4ab 3.📷 (a-b)²= a²-2ab+b² 4.📷 (a-b)²= (a+b)²-4ab 5.📷 a² + b²= (a+b)²-2a...